WHAT'S NEW?
Loading...
Showing posts with label ইফতার. Show all posts
Showing posts with label ইফতার. Show all posts

সাধারণত ইফতারে মাংসের তৈরি খাবার একটু কমই রাখা হয়, কারণ হচ্ছে মাংসের তৈরি যে কোনো খাবার বানানো অনেক বেশি ঝামেলার। আজকে আপনাদের জন্য এমন একটি রেসিপি নিয়ে হাজির হলাম যা মাংসের তৈরি, কিন্তু এটি তৈরিতে একেবারেই কম সময় লাগবে। খুউব ঝটপট ইফতারের প্লেটে হাজির করতে পারবেন অত্যন্ত সুস্বাদু মুরগীর মাংসের বড়া। চলুন তাহলে শিখে নেয়া যাক খুব সহজ রেসিপিটি।

উপকরনঃ
  • ১ কাপ হাড় ছাড়া মুরগীর মাংস
  • ৪ পিস পাউরুটি
  • ১ টি ডিম
  • ২ টি পেঁয়াজ মিহি কুচি
  • কাঁচা মরিচ কুচি ঝাল বুঝে
  • ১ চা চামচ কাবাব মসলা
  • সামান্য টেস্টিং সল্ট
  • লবণ স্বাদমতো
  • বিস্কিটের গুঁড়ো প্রয়োজন মতো
  • তেল ভাজার জন্য।

প্রণালীঃ
  • প্রথমে মাংস পানিতে নরম করে সেদ্ধ করে নিন। এরপর মাংস একটু পিষে নিলেই আঁশ আঁশ আলাদা হয়ে যাবে। এভাবে মাংস প্রস্তুত করে ফেলুন।
  • এরপর মাংসে পেঁয়াজ, মরিচ, আদা-রসুন বাটা, কাবাব মসলা, টেস্টিং সল্ট লবণ এবং পানিতে ডুবিয়ে পাউরুটি নরম করে মাংসে দিয়ে ভালো করে মাখাতে থাকুন।
  • একটি ডিম ভেঙে মিশ্রনে দিয়ে দিন এবং ভালো করে মাখিয়ে নিন। ডিম দেয়ার পর যদি মিশ্রন অনেক নরম হয়ে যায় তাহলে আরও পাউরুটির পিস দিতে পারেন।
  • মাখানো প্রয়োজন মতো হলে অল্প করে মিশ্রন নিয়ে হাতের তালুতে দিয়ে নিয়ের পছন্দমতো আকৃতি দিন এবং বিস্কিটের গুঁড়োয় গড়িয়ে নিয়ে অল্প তেলে দুপাশ লালচে করে ভেজে নিন।
  • একটি কিচেন টিস্যুতে রেখে বাড়তি তেল ঝেড়ে নিয়ে ইফতারের টেবিলে পরিবেশন করুন সুস্বাদু মুরগীর মাংসের বড়া


ইফতারে চাই ভিন্ন কোন খাবারের আইটেম? তাহলে দেখেনিন আজ আমাদের রেসিপি ইফতারে ঝটপট আলু মেয়নেজ টিক্কি। সহজে ও কম সময়েই তৈরি কওরা যায় আর খেতেও অসাধারণ। রইলো রেসিপি।

উপকরনঃ
  • আলু সেদ্ধ করে ম্যাশ করা – ২ টা
  • মেয়নেজ – ৩ চা চামচ
  • পেঁয়াজ মিহি কুচি – বড় ৩ টা
  • কাঁচামরিচ কুচি – ১ টেবল চামচ
  • আদাকুচি – ১ টেবল চামচ
  • লাল মরিচ গুঁড়ো – ১ চা চামচ
  • লবণ – স্বাদমতো
  • ভাজা ও গুঁড়ো করা সল্টেড পিনাট – ৩ টেবল চামচ
  • কর্নফ্লাওয়ার -২ টেবল চামচ + ছড়ানোর জন্য
  • তেল – ২ টেবল চামচ
  • সাজানোর জন্য : চাট মশলা

প্রণালীঃ
  • একটি পাত্রে আলু, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, আদা, লাল মরিচের গুঁড়া, লবণ, মেয়নেজ, বাদাম গুঁড়া এবং দুই টেবল চামচ কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে সব একসাথে মেশান।
  • একটি ননস্টিক প্যানে তেল গরম করুন। হাতে একটু কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে নিন।
  • এবার আলুর মিশ্রণ থেকে ডো নিয়ে একই আকৃতির বল বানান। বলগুলো প্যানে রেখে চামচ দিয়ে একটু চেপে দিন।
  • অল্প আঁচে দুই পাশ সোনালী করে ভাজুন। টিক্কিগুলো একটি সার্ভিং প্লেটে রেখে উপর থেকে চাট মশলা ছিটিয়ে দিন। গরম গরম আলু মেয়নেজ টিক্কি পরিবেশন করুন।


ইফতারের প্লেটে খুব সাধারণ খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম এই আলুর চপ। প্রায় প্রতিটি  ঘরেই রোজার প্রায় প্রতিদিনই আলুর চপ তৈরি করা হয়। আজকে শিখে নিন নিত্য দিনের এই আলুর চপের একটু অন্যরকম একটি স্বাদ। খুব স্বল্প সময়ে প্রতিদিনের আলুর চপে নিয়ে আসুন দারুণ একটি টুইস্ট। শিখে নিন পুর ভরা আলুর চপের দারুণ রেসিপিটি।

পুরের জন্য উপকরনঃ
  • আধা কাপ মাংস কিমা (খাসি/গরু/মুরগি) কিমা না থাকলে মাংস ছোটো খণ্ড করে নিয়েও কাজ চালাতে পারেন 
  • ৩ টি পেঁয়াজ কুচি
  • ৪/৫ টি কাঁচা মরিচ কুচি
  • আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
  • আধা চা চামচ জিরা গুঁড়ো
  • আধা চা চামচ গরম মসলা গুঁড়ো
  • আধা চা চামচ কাবাব মসলা
  • ১ চা চামচ সয়াসস
  • ১ চা চামচ আদা-রসুন বাটা
  • ২ চা চামচ ধনে পাতা কুচি
  • ২ টেবিল চামচ তেল
  • লবন স্বাদমতো
আলুর চপের জন্য উপকরনঃ
  • ২ কাপ সেদ্ধ আলু
  • ২ টি পেঁয়াজ কুচি বা বাটা
  • ৩-৪ টি মরিচ বাটা বা কুচি
  • সামান্য সরিষার তেল
  • লবন স্বাদ বুঝে
  • খুব সামান্য ময়দা (প্রয়োজন হলে)
  • ১ টি ডিম ফেটানো
  • ব্রেডক্রাম্ব
  • তেল ভাজার জন্য
প্রণালীঃ
  • প্রথমে প্যানে তেল দিয়ে গরম করে এতে পেয়াঁজ কুচি দিয়ে নরম না হওয়া পর্যন্ত নেড়ে নিন। এরপর এতে দিন আদা-রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, লবন, কাঁচা মরিচ কুচি। কিছুক্ষণ নেড়ে মসলা কষে এলে মাংস দিয়ে নেড়ে মিশিয়ে নিন।
  • এরপর সামান্য পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। মাংস সেদ্ধ হয়ে এলে ঢাকনা খুলে দিয়ে কিমার ভাজা ভাজা করে নিন। এভাবে ঝরঝরে মাংসের পুর তৈরি করে নিন।
  • সেদ্ধ আলু হাতে চটকে এতে পেঁয়াজ, মরিচ,  লবন , ধনে পাতা কুচিও সরিষার তেল দিয়ে মেখে ভর্তার মতো তৈরি করে নিন। যদি ভর্তা একটু বেশি নরম হয় তাহলে ময়দা দিয়ে ভালো করে মেখে নিন।
  • আলু ছোটো ছোটো অংশে ভাগ করে নিয়ে হাতের তালুতে রেখে বাটির মতো তৈরি করে ভেতরে পুর দিয়ে ঢেকে দিন। এরপর একটু চাপ দিয়ে চপের আকার দিন। এভাবে সব চপ তৈরি করে ফেলুন।
  • একটি প্যানে ডুবো তেলে ভাজার জন্য তেল গরম করে নিন। ডিম সামান্য  লবন দিয়ে ফেটিয়ে নিন। এরপর একটি করে চপ ডিমে চুবিয়ে ব্রেডক্রাম্বে গড়িয়ে নিন। এরপর ডুবো তেলে ছেড়ে লালচে করে ভেজে নিন। চাইলে অল্প তেলে হালকা করেও ভেজে নিতে পারেন।
  • চপ ভেজে একটি কিচেন টিস্যুতে রেখে বাড়তি তেল ঝড়িয়ে নিন। ব্যস, ইফতারে পরিবেশন করুন মজাদার পুর ভরা আলুর চপ।


ইফতারের প্লেটে সাধারণ খাবারগুলোর চাইতে নতুন স্বাদের নতুন আইটেমগুলোই বেশ পছন্দের থাকে সকলের কাছে। প্রতিদিনের স্বাদের পাশাপাশি সকলেই একটু ভিন্ন স্বাদের খাবার চান। তাই আজকে জেনে নিন ইফতারের নতুন স্বাদ ‘মাংস চপ’ তৈরির খুব সহজ রেসিপিটি।

উপকরনঃ
  • ১ কাপ হাড় ছাড়া মুরগীর মাংস
  • ১ কাপ আলু (সেদ্ধ করে পিষে নেয়া)
  • ১ চা চামচ আদা-রসুন বাটা
  • ১ চা চামচ গরম মশলা গুঁড়ো
  • ১ চা চামচ কাবাব মশলা
  • ৩ চা চামচ পেঁয়াজ বাটা
  • ২ চা চামচ মরিচ বাটা
  • পাউরুটির পিস (প্রয়োজন মতো)
  • ১ টি ডিম ফেটানো
  • ব্রেডক্রাম্ব বা বিস্কিটের গুঁড়ো প্রয়োজন মতো
  • তেল ভাজার জন্য
  • লবণ স্বাদমতো

প্রণালীঃ
  • প্রথমে মাংস ও আলু ভালো করে সেদ্ধ নিন। 
  • এরপর মাংস গ্রেইন্ড করে বা পাটায় ছেঁচে অথবা হামান দিস্তায় পিষে নিন এবং আলুর খোসা ছাড়িয়ে পিষে নিন।
  • এরপর একটি বড় বাটিতে আলু ও মাংসের সাথে পাউরুটি বাদে সব উপকরণ একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। যদি মিশ্রণটি নরম হয়ে যায় তাহলে পাউরুটি ছিঁড়ে ছোট টুকরো করে মিশ্রণের নরমভাব কমাতে ব্যবহার করুন। 
  • যতোটা পাউরুটির প্রয়োজন ততোটা দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন।
  • এরপর হাতে অল্প অল্প করে মিশ্রণ নিয়ে গোল বল তৈরি করে চেপে চপের আকার দিন ও ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে ব্রেড ক্রাম্ব বা বিস্কিটের গুঁড়োতে গড়িয়ে নিন।
  • একটি ফ্রাই প্যানে ডুবো তেল নয় আবার বেশি শুকনোও নয় এমনভাবে তেল দিয়ে চপ সাজিয়ে দিয়ে ভাজতে থাকুন হালকা থেকে মাঝারি আঁচে। 
  • একপাশ হয়ে গেলে অপর পাশ উল্টে লালচে করে ভেজে নিন।
  • একটি কিচেন টিস্যুতে ভেজে তুলে নিন চপগুলো। 
  • ব্যস, এবার ইফতারের প্লেটে পরিবেশন করুন নতুন স্বাদের মাংস চপ।


ইফতারি বা বিকেলের চায়ের সাথে একটু ভাজাভাজি খাবার খুঁজে থাকেন সবাই। কিন্তু সবসময় তো রান্না ঘরে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যয় করতে পারেন না গৃহিণীরা, আর সমস্যা তখনই হয়। তাই আজকে জেনে নিন স্বাদ ও স্বাস্থ্যের মিশেলে তৈরি একটি চমৎকার নাস্তা রেসিপি। পেঁয়াজের নতুন স্বাদ পেতে আজই তৈরি করুন ‘পেঁয়াজ পাকোড়া’।

উপকরনঃ
  • ১ কাপ পেঁয়াজ মোটা করে কুচি করা
  • ১ টি ডিম
  • ১ কাপ বেসন
  • ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
  • ১ চা চামচ মরিচ গুঁড়ো
  • আধা চা চামচ গোল মরিচ গুঁড়ো
  • ১ চা চামচ বেকিং সোডা
  • আধা চা চামচ টেস্টিং সল্ট
  • লবণ স্বাদমতো
  • চালের গুঁড়ো সামান্য
  • তেল ভাজার জন্য

প্রণালীঃ
  • তেল বাদে সব উপকরণ একসাথে ভালো করে মিশিয়ে মিশ্রন তৈরি করে নিন।
  • মিশ্রন যেনো খুব পাতলা না হয়। ঘন থকথকে মিশ্রন হলে তা পেঁয়াজের গায়ে লেগে থাকবে।
  • একটি প্যানে ডুবো তেলে ভাজার জন্য তেল গরম করে নিয়ে এতে পেঁয়াজের মিশ্রণটি অল্প অল্প করে ছেড়ে বাদামী করে ভেজে তুলুন একটি কিচেন টিস্যুর উপরে।
  • এরপর সসের সাথে এককাপ ধোঁয়া উঠা চায়ের সাথে মজা নিন মাত্র ৫ মিনিটের স্ন্যাকস ‘পেঁয়াজ পাকোড়া’র।


যারা একটু ভাজা ভুজি পছন্দ করেন তাদের জন্য আজকের রেসিপি। ইফতারে বানাতে পারেন ঝাল ব্রেড কাটলেট।

উপকরনঃ
  • যে কোনো ব্রেড ব্রাউন অংশ সহ ৮ পিস
  • ১ টা ডিম
  • ধনিয়া পাতা কুচি পরিমানে অনেক বেশি
  • পেয়াজ মিহি কুচি
  • কাচা মরিচ মিহি কুচি
  • লবন পরিমানমত
  • গরম মশলা গুড়া ২ চা চামচ
  • অল্প বেসন

প্রণালীঃ
  • ব্রেড পিসগুলোকে একটু বেশি পানিতে ভিজিয়ে নরম করে নিন। 
  • এবার ব্রেডে পানি যেন না থাকে এই জন্য পানি খুব ভালোভাবে চিপে ঝরিয়ে নিন।
  • শুধু নরম অংশটা দিয়ে আমরা এটা বানাবো ।
  • এখন একটা বাটিতে ওই নরম করা ব্রেড সাথে পেয়াজ কাচা মরিচ ধনিয়া পাতা কুচি দিন। 
  • গরম মশলা গুড়া আর ডিম ফেটিয়ে দিন। লবন পরিমান মত দিন, খুব অল্প বেসন দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন।
  • মিশ্রনটা একটু নরমই থাকবে।
  • প্যান এ মিডিয়াম তেল এ চ্যাপ্টা করে ভাজুন,মচমচে হয়ে আসলে তেল ঝরিয়ে নামিয়ে যে কোনো চাটনির সাথে পরিবেশন করুন গরম গরম ঝাল ব্রেড কাটলেট।


রমজান মাসে রোজা রাখার ধর্মীয় গুরুত্বের কথা বেশীরভাগ মানুষ জানলেও এর স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা খুব কম মানুষই জানে। যদি সঠিকভাবে রোজা পালন করা হয় তাহলে তা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য হতে পারে অনেক উপকারি। চলুন জেনে নেয়া যাক রোজা রাখার অসাধারণ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা।

১। ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে
বিভিন্ন ধরণের প্রক্রিয়াজাত খাবারের মান বাড়ানোর জন্য ও সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন উপাদান যোগ করা হয়। তাই প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার ফলে শরীরে টক্সিন জমা হতে থাকে। এদের কোন কোনটি অ্যাডভান্স গ্লাইকেশন ইন্ড প্রোডাক্ট(AGEs)এর উৎপাদনকে উৎসাহিত করে। এই ধরণের টক্সিনগুলোর বেশির ভাগই চর্বিতে জমা হয়। দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকলে অর্থাৎ রোজা রাখলে এই  চর্বিগুলো পুড়ে কমতে থাকে। ফলে টক্সিনগুলো দেহ থেকে বাহির হয়ে যায়।

২। প্রদাহজনক প্রতিক্রিয়ার সমাধান করে
কিছু গবেষণায় জানা গেছে যে, রোজা থাকলে প্রদাহজনিত রোগ যেমন- রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিস, সোরিয়াসিস ইত্যাদি ও অ্যালার্জির সমস্যার সমাধানকে উৎসাহিত করে। কিছু বিশেষজ্ঞের মতে আলসারেটিভ কোলাইটিসের নিরাময়ে সাহায্য করে রোজা।

৩। রক্তে চিনির পরিমাণ কমায়
রোজা রাখলে গ্লুকোজ ভাঙ্গার পরিমাণ বৃদ্ধি পায় যার ফলে শরীর এনার্জি পায়। ইনসুলিনের উৎপাদন কমায়। ফলে অগ্নাশয় বিশ্রাম পায়। গ্লুকোজের ভাঙ্গনে সাহায্য করে গ্লুকাগন। রোজা রাখলে রক্তের চিনির পরিমাণ কমতে থাকে।

৪। পরিপাক প্রক্রিয়ার বিশ্রাম হয়  
রোজা রাখলে পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন অঙ্গের বিশ্রাম হয়। সাধারণ শারীরবৃত্তীয় কাজগুলো বিশেষ করে পাচক রস নিঃসরণ হয় তবে কম পরিমাণে হয়। ফলে খাবার আস্তে আস্তে ভাঙ্গে। শক্তির নিঃসরণও হয় ধীর গতির। কিন্তু পাকস্থলীর এসিড নিঃসরণ বন্ধ হয়না। তাই পেপটিক আলসারের রোগীদের রোজা রাখার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হয়।

৫। উচ্চ রক্তচাপ কমতে সাহায্য করে
ধমনীতে চর্বি জমলে এথেরোসক্লেরোসিস হয়। রোজা রাখলে এথেরোসক্লেরোসিসের ঝুঁকি কমে। রোজা রাখলে শরীরের গ্লুকোজ ও জমাকৃত চর্বি ভেঙ্গে শক্তি নির্গত হয়। রোজা রাখলে বিপাকের হার কমে যায়। এড্রেনালিন ও ননএড্রেনালিন হরমোনের নিঃসরণ কমে। এরা বিপাকের হার স্থির ও সীমিত রাখে। ফলে উচ্চ রক্তচাপও কমে।

৬। ওজন কমায়  
রোজা রাখলে দেহের ওজন কমে। রোজা রাখলে শরীরে চর্বির পরিমাণ কমে। ইফতারিতে তৈলাক্ত ও চিনি জাতীয় খাবার কম খেয়ে ফল খেতে হবে এবং প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। যেহেতু  চর্বি হচ্ছে এনার্জির প্রধান উৎস। তাই রোজা রেখে স্বাভাবিক কাজ কর্ম করলে চর্বি ভেঙ্গে শক্তি নির্গত হবে।

৭। আসক্তি মুক্ত হতে সাহায্য করে
বিভিন্ন ধরণের বদঅভ্যাস যেমন- ধূমপান, মদ্যপান, ক্যাফেইন থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করে রোজা। যেহেতু রোজা রেখে দিনের বেলায় কিছু খাওয়া যায়না তাই এই বদঅভ্যাসগুলো থেকে সরে আসা সহজ হয়। দীর্ঘ একমাস সংযমের মধ্য দিয়ে কাটানোর ফলে যে কোন বদঅভ্যাস থেকে মুক্ত হওয়া সহজ হয়।
যেহেতু রোজা রাখলে সারাদিনে খাবার ও পানি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হয় তাই শরীরে পানি শূন্যতার সৃষ্টি হতে পারে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা তাদের সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই ইফতার ও সেহেরীতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিৎ।

লিখেছেন-
সাবেরা খাতুন
ফিচার রাইটার, প্রিয় লাইফ
প্রিয়.কম

Source: Priyo.com

এই রোজায় ইফতারে কি খাচ্ছেন? সেই সবসময়ের মতো পিঁয়াজু-বেগুনি-আলুর চপ? একটু স্বাদ বদলে চমকপ্রদ কিছু তৈরি করতে চাইলে দেখে নিন আজকের চিকেন ব্রেড পিজ্জার রেসিপিটি। মাংস, পনির এবং ক্যাপসিকামের দারুণ স্বাদে ইফতারে আপনার মনটাই ভালো হয়ে যাবে। পেট ভরাতে সহায়ক এই স্ন্যাক্সটি ইফতার পার্টিতে পরিবেশন করতে পারেন, আবার প্রতিদিনের ইফতারেও রাখতে পারেন। চলুন দেখে নিই সহজ রেসিপিটি।


উপকরনঃ
  • ২টা গ্রিলড চিকেন ব্রেস্ট, শ্রেড করা
  • ৮টা পাউরুটির স্লাইস
  • পিজ্জা সস প্রয়োজনমতো
  • ২ টেবিল চামচ মাখন
  • ১ চা চামচ রসুন কুচি
  • আধা চা চামচ শুকনো মরিচ
  • ৩/৪টা ফ্রেশ বেসিল পাতা
  • ১ কাপ বিভিন্ন রঙের ক্যাপসিকামের লম্বা টুকরো
  • ২০০ গ্রাম মোজারেলা চিজ, ছোট কিউব করে কাটা
  • ফ্রেশ অরিগানো প্রয়োজনমতো
প্রণালীঃ
  • ওভেন ১৮০ ডিগ্রিতে প্রিহিট হতে দিন।
  • একটি পাত্রে মাখন নিন। এতে শুকনো মরিচ ভেঙ্গে নিন। 
  • রসুন এবং বেসিল পাতা ছিঁড়ে দিন। ভালো করে মিশিয়ে নিন।
  • মাখনের মিশ্রণ প্রতিটি রুটির স্লাইসের ওপরে মাখিয়ে নিন এবং একটি বেকিং ট্রেতে রাখুন। 
  • এবার প্রিহিটেড ওভেনে দিয়ে ৪-৬ মিনিট বা মুচমুচে হওয়া পর্যন্ত বেক করে নিন।
  • মুচমুচে এই ব্রেড স্লাইসের ওপরে পিজ্জা সস দিয়ে নিন। 
  • এর ওপরে চিকেন, ক্যাপসিকামের টুকরো, মোজারেলার টুকরো এবং কিছু অরিগানো দিয়ে দিন। 
  • এবার প্রিহিটেড ওভেনে আবার দিয়ে দিন। চিজ গলে যাওয়া পর্যন্ত বেক করে নিন।
ভিডিওঃ


Source: Priyo.com

গরমের বিকালে মন ভালো করতে পারে একমাত্র জমিয়ে পেট পুজো চিংড়ির ব্যাটার ফ্রাই। তাছাড়া এই রমজানে ইফতারের সাথে পরিবেশন করুন গরম গরম মুচমুচে চিংড়ির বাটার ফ্রাই। তাহলে আর দেরি না করে আজই বানিয়ে ফেলুন চিংড়ির ব্যাটার ফ্রাই।



উপকরনঃ
  • চিংড়ি মাছ-৩০০ গ্রাম (মাঝারি সাইজের)
  • চিনি-১/২ চা চামচ
  • গোলমরিচ গুঁড়ো-১/৮ চা চামচ
  • ময়দা-২ টেবিল চামচ
  • কারি পাউডার-১/৪ চা চামচ
  • তেল-ভাজার জন্য ১ বড় বাটি
  • পানি-৪ থেকে ৬ টেবিল চামচ
  • লবন -স্বাদ মতো
  • বেকিং পাউডার ১/৪ চা চামচ
প্রণালীঃ
  • চিনি ও গোলমরিচ গুঁড়ো চিংড়ি মাছে মাখিয়ে নিন। 
  • ময়দা, লবণ ও কারি পাউডার একসঙ্গে জলে গুলে ব্যাটার বানিয়ে নিন। 
  • তেল গরম করুন। ব্যাটারের মধ্যে বেকিং পাউডার ভালো করে মিশিয়ে নিন। 
  • চিংড়ি ব্যাটারে ভালো করে ডুবিয়ে নিয়ে তেলে সোনালি করে ডিপ ফ্রাই করুন। 
  • এখন চিংড়ির ফ্রাই  সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

Source: Shajgoj.com

ডিম যাদের ভালো লাগে নিশ্চয়ই মোগলাই পরোটাও তাদের অনেক প্রিয়। কিন্তু আপনি কি জানেন, আমরা সবসময় ডিম দিয়ে তৈরি যে মোগলাই পরোটা খাই তা আসলে মোগলাই পরোটা নয়? আসুন দেখে নেয়া যাক, “আসল” মোগলাই পরোটার রেসিপি। অসাধারণ এই খাবারটি যেমন অতিথি অপ্যায়নে অসাধারণ তেমনি ইফতারের আইটেম হিসেবেও তুলনাহীন।



উপকরনঃ
  •  পৌনে এক কাপ মিহি ময়দা
  •  পৌনে এক কাপ আটা
  •  দেড় কাপ মুরগির মাংসের কিমা
  •  দুইটি পেঁয়াজ, কুচি করা
  •  দুইটি টমেটো, কুচি করা
  •  দুইটি ডিম
  •  কয়েকটা কাঁচামরিচ, কুচি করা
  •  ধনেপাতা এবং পুদিনা পাতা কুচি
  •  সিকি চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
  •  এক চা চামচ মরিচ গুঁড়ো
  •  আধা চা চামচ গরম মশলা
  •  দুই টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা
  •  দুই টেবিল চামচ সুজি
  • সামান্য বেকিং সোডা
  •  সিকি কাপ দুধ
  •  লবণ স্বাদমতো
  •  তেল প্রয়োজনমতো
প্রণালীঃ
  • প্রথমে আটা ও ময়দা একসাথে একটি বড় বোলে ঢেলে নিন। 
  • এর মাঝে সুজি, লবণ, এক চিমটি বেকিং সোডা একত্রে মিশিয়ে নিন। 
  • এরপর দুধ ঢেলে ভালোমত মেখে ডো তৈরি করে নিন। 
  • হালকা ভেজা সুতি কাপড়ে মুড়িয়ে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন এই ডো। 
  • এই ফাঁকে তৈরি করে নিন ভেতরে দেওয়ার পুর।
  • চুলোয় প্যান গরম করে এর মাঝে অল্প করে তেল দিন। 
  • তেল গরম হলে এতে পেঁয়াজ দিয়ে হালকা করে ভেজে নিন। 
  • এর মাঝে দিন আদা-রসুন বাটা। কিছুটা কাঁচামরিচ এতে দিয়ে নেড়ে মিশিয়ে নিন। 
  • এরপর ভাজতে থাকুন যতক্ষণ না পেঁয়াজে একটু বাদামি রং আসে। 
  • পেঁয়াজে রং ধরলে এতে টমেটো কুচি, গরম মশলা, মরিচ গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো এবং কিছুটা লবণ দিয়ে ভালো করে নেড়েচেড়ে মিশিয়ে নিন।
  • মিশ্রনের মুরগির মাংসের কিমা দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজুন। 
  • এরপর অল্প করে পানি দিয়ে নেড়ে ডাকা দিয়ে রাখুন ৫-৭ মিনিট। 
  • এর মাঝে রান্না হয়ে যাবে। নামানোর আগে ধনেপাতা এবং পুদিনা পাতা কুচি দিন।
  • একটি পাত্রে ডিম ফেটে মিশিয়ে নিন লবণ দিয়ে। এটাকে একপাশে সরিয়ে রাখুন।
  • এবার ডো থেকে তৈরি করতে হবে পরোটা। বড় করে পরোটা বেলে নিন। 
  • পরোটার মাঝে কিমার পুর দিয়ে ছড়িয়ে নিন। 
  • এর উপরে দুই চা চামচ ডিমের মিশ্রণ ছড়িয়ে নিন। 
  • এরপর চারপাশ থেকে পরোটার কিনারাগুলো তুলে ঢেকে দিন কিমার পুর যাতে চৌকো একটি আকৃতি তৈরি হয়। 
  • কিনারাগুলো আটকে রাখার জন্য ডিমের মিশ্রণ ব্যবহার করুন।
  • গরম কড়াইতে বেশি করে তেল দিতে হবে। 
  • ডুবোতেলে ভাজতে না চাইলে এমনভাবে তেল দিতে হবে যাতে অন্তত পরোটা ভালোভাবে ভাজা হয়। 
  • এরপর সাবধানে পরোটাটিকে তেলে ছাড়তে হবে। 
  • এ সময়ে লক্ষ্য রাখুন পরোটা যেন ভেঙ্গে না যায়। 
  • একেক পিঠে ৪-৫ মিনিট করে ভেজে তুলে নিন পরোটা।
  • তেল ঝরিয়ে নিয়ে কেটে নিন মোগলাই পরোটা এবং সালাদ অথবা কেচাপের সাথে পরিবেশ করুন গরম গরম।

Source: Shajgoj.com

ইলিশের প্রতি বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে প্রতিটা বাঙালির। তাই খাবার তালিকায় ইলিশের গুরুত্বটা একটু বেশিই থাকে। তার উপর যদি কোনো উপলক্ষ্য বা অতিথি আপ্যায়নের বিষয় থাকে তবে তো কথায় নেই। ইলিশ মাছ দিয়ে তৈরি কত রকমের মুখরোচক খাবারই না তৈরি হয়। পোলাও, সাদা ভাত বা সসের সঙ্গে ইলিশ কাবাব কিন্তু অসাধারণ মেন্যু হতে পারে। তাছাড়া এই রমজান মাসে ইফতারের সাথে পরিবেশন করতে পারেন এই ইলিশের কাবাব। তাহলে আর দেরি কেন, চলুন শিখে নেয়া যাক ইলিশ কাবাব রেসিপি।



উপকরনঃ
  • ইলিশ মাছ ৫০০ গ্রাম,
  • হলুদ গুড়া আধা চা চামচ
  • সিরকা ১ টেবিল চামচ
  • পেয়াজ বেরেস্তা ৩ টেবিল চামচ
  • কাঁচা মরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ
  • ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ
  • ফেটানো ডিম ১ টা
  • কর্ণ ফ্লাওয়ার ১ চা চামচ,
  • লেবুর রস ১ চা চামচ
  •  লবন স্বাদমতো
  • পরিমান মত তেল ভাজার জন্য
প্রণালীঃ
  • হলুদ গুড়া, সিরকা আর লবন দিয়ে ইলিশ সেদ্ধ করে কাঁটা ছাড়িয়ে নিন। 
  • এবার তাতে পেয়াজ বেরেস্তা, কাঁচা মরিচ কুচি, ধনেপাতা কুচি, লেবুর রস, ফেটানো ডিম আর প্রয়োজন মতো কর্ণ ফ্লাওয়ার দিয়ে ভাল করে মেখে আধা ঘণ্টা ফ্রিজে রাখুন। 
  • এবার নামিয়ে এনে কাবাবের আকার দিয়ে গরম তেলে ভেজে নিন। 
  • বাদামি হলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে। 
  • চাইলে ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে তারপর ব্রেড ক্রামে গড়িয়েও ভাজতে পারেন। 
  • পেয়াজ বেরেস্তার বদলে মিহি করে কুঁচি করা পেয়াজ ব্যবহার করা যেতে পারে। 
  • পোলাও বা গরম ভাতের সঙ্গে এই ইলিশ কাবাবের জুড়ি নেই।

Source: Shajgoj.com

টক,মিষ্টি, ঝাল স্বাদের এই খাবারটি খেতে দারুন। এই খাবারটি বাসায় তৈরি করলেও রেস্টুরেন্টের  মত স্বাদ পাওয়া যায় না বলে মনে করেন অনেকে। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক, রেস্টুরেন্টের  মত স্বাদের দই বড়া তৈরির রেসিপিটি।



উপকরনঃ
  • ১ কাপ অড়হর ডাল
  • ২ কাপ দই
  • ২ কাপ বাটার মিল্ক
  • ২ চা চামচ ভাজা জিরা গুঁড়া
  • ২ চা চামচ লাল মরচ গুঁড়া
  • তেল পরিমাণ মত
  • ১ চা চামচ জিরা
  • ১/২ চা চামচ হিং
  • গোল মরিচের গুঁড়া স্বাদ মত
  • ২ টেবিল চামচ খেজুর ও তেঁতুলের চাটনি
প্রণালীঃ
  • সারা রাত অড়হরের ডাল ভিজিয়ে রাখুন। 
  • সকালে খোসা ছাড়িয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। 
  • প্রয়োজনে অল্প কিছু পানি দিয়ে ব্লেন্ড করুন।
  • এখন ডালের পেষ্টে জিরা, হিং, গোল মরিচের গুঁড়া, লবণ দিয়ে খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন।
  • এবার ডাল দিয়ে ছোট ছোট বড়া ভেজে নিন। 
  • ভাজার সময় খেয়াল রাখবেন তেল যেন খুব বেশি গরম না হয়ে যায়। 
  • তেল বেশি গরম হয়ে গেল বড়াগুলো লাল হয়ে যাবে আর এতে দই ভালমত ঢুকবে না।
  • বড়াগুলোকে প্যানে তেলের মাঝে ক্রমাগত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ভাজতে হবে। 
  • বড়া গুলো হালকা বাদামি রং হয়ে আসলে নামিয়ে ফেলুন।
  • এবার বড়াগুলো বাটার মিল্ক এর মধ্যে ৫- ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। 
  • বাটার মিল্কের সাথে সামান্য লবন যোগ করে নিবেন। 
  • বাটার মিল্ক না থাকলে আপনি পানির মধ্যে বড়াগুলো ভিজিয়ে রাখতে পারেন। 
  • পানিতে লবন দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
  • তারপর টক দইয়ের সাথে লবণ মিশিয়ে ভালো করে ফাটুন। 
  • এখন বড়া গুলো বাটারমিল্ক/পানি থেকে উঠিয়ে ভালো করে চেপে পানি বের করে নিন।
  • এখন বড়া গুলো একটি পাত্রে রাখুন। তার উপর টক দই দিয়ে দিন।
  • টক দইয়ের ওপর খেজুর-তেঁতুলের চাটনি, জিরা গুঁড়া, লাল মরিচের গুঁড়া, ধনে পাতা কুচি দিয়ে দিন।
  • ব্যস হয়ে গেল তৈরি মজাদার দই বড়া।এবার আর এই খাবারটি খেতে রেস্টুরেন্টে যেতে ইচ্ছে করবে না মোটেই!

Source: Shajgoj.com

স্থানীয় ভাজাভুজির দোকানে সিঙ্গারা-সমুচার পাশাপাশি আরও একটা খাবার পাওয়া যায়, সেটা হলো ডিম-চপ। বাড়িতেও অনেকেই ডিম চপ তৈরি করেন অতিথি আপ্যায়নের জন্য। ডিম চপের আরও অভিজাত একটি ধরণ হলো নার্গিসি কোফতা। খুব সহজেই তৈরি করে ফেলতে পারবেন বাড়িতে। অতিথি আপ্যায়ন ছাড়াও বিকেল বেলার স্ন্যাক্স হিসেবে বা ইফতারে দারুণ লাগবে নার্গিসি কোফতা।



উপকরনঃ
  • ৪টা সেদ্ধ ডিম
  • ২৫০ গ্রাম চিকেন কিমা
  • ২টা ছোট আলু, সেদ্ধ করে ভর্তা করা
  • ভাজার জন্য ব্রেড ক্রাম্ব
  • এক স্লাইস পাউরুটি, ভিজিয়ে পানি চিপে নেওয়া
  • ৩ টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচি
  • সিকি চা চামচ গোলমরিচ
  • ১ চা চামচ জিরা গুঁড়ো
  • ১ চা চামচ গরম মশলা
  • লবণ স্বাদমতো
  • ১ চা চামচ আদা কুচি
  • ১ চা চামচ রসুন কুচি
  • ২টা কাঁচামরিচ কুচি
  • ডিপ ফ্রাই করার জন্য তেল
প্রণালীঃ
  • একটা বাটিতে মিশিয়ে নিন চিকেন কিমা, আলু ভর্তা, রসুন কুচি, আদা কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, লবণ, জিরা, গরম মশলা, গোলমরিচ গুঁড়ো এবং কিছুটা ধনেপাতা কুচি। 
  • এগুলো একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। 
  • এটাকে মিক্সারে দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন।
  • এই মিশ্রণে ভেজানো পাউরুটি এবং আরও কিছুটা ধনেপাতা কুচি দিয়ে মিশিয়ে নিন। 
  • এরপর হাতে তেল মাখিয়ে অল্প কিছুটা মিশ্রণ হাতে নিন। 
  • প্যাটি বানিয়ে এর মাঝে একটা সেদ্ধ ডিম রেখে চারদিক দিয়ে মুড়ে কোফতার আকৃতি দিন।
  • কোফতাটাকে ডিমে ডুবিয়ে নিয়ে তারপরে ব্রেড ক্রাম্বে গড়িয়ে নিন। ডিমে না ডুবালেও চলবে। 
  • এবার গরম তেলে ডিপ ফ্রাই করে নিন কোফতাটাকে। 
  • এভাবে সবগুলো ডিম দিয়ে কোফতা তৈরি করে ভেজে নিন। 
  • বেশি কড়া করে ভাজবেন না। সোনালি হয়ে এলে নামিয়ে নিন।

Source: Shajgoj.com

এখন আপনাদের জন্য দেওয়া হচ্ছে একটি একটি নতুন রেসিপি। অনেক সুস্বাদু এ রেসিপির নাম হলো পুঁই চিংড়ির পাকোড়া। দেখে নিন রেসিপিটি-



উপকরনঃ
  • লবন (সিকি চামচ) ও হলুদ (সিকি চামচ) দিয়ে মেখে দুই টেবিল চামচ সরিষার তেল দিয়ে ভেজে রাখা চিংড়ি।
  • সরিষার তেল ২৫০ গ্রাম
  • পুঁইশাকের বড় বড় পাতা (ভাপিয়ে নেওয়া) ২০-২৫টি
  • লবন আধা চা-চামচ
  • কাঁচা মরিচ কুচি ৪টি
  • কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ
  • ময়দা ২ টেবিল চামচ
  • চালের গুঁড়া আধা কাপ
  • পানি ১ কাপ
  • শুকনা মরিচ ভাঙা ১ চা-চামচ
  • লেবুর রস দেড় টেবিল চামচ
  • পেঁয়াজ টুকরা (বড়) ১টি
  • পোস্তদানা সিকি কাপ বা পরিমাণমতো।
প্রণালীঃ
  • চিংড়ি পাটায় মিহি করে বেটে নিন। 
  • ফ্রাইপ্যানে দুই টেবিল চামচ সরিষার তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভাজুন। 
  • বাদামি রং হয়ে এলে বাটা চিংড়ি মাছ, সিকি চামচ লবন, কাঁচা মরিচ কুচি দিয়ে নেড়ে আধা টেবিল চামচ লেবুর রস দিয়ে ভাজুন। 
  • আধা কাপ পানিতে চালের গুঁড়া ২-৩ ঘণ্টা আগে থেকেই ভিজিয়ে রাখুন। 
  • একটি প্লেটে পোস্তদানা ছড়িয়ে রাখুন। চালের গুঁড়ার সঙ্গে ময়দা, কর্নফ্লাওয়ার, বাকি লবন, এক টেবিল চামচ লেবুর রস ও মরিচ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে ঘন ব্যাটার তৈরি করুন। 
  • একেকটি পুঁই পাতায় সামান্য চিংড়ি পেস্টের পুর ভরে তা চার ভাঁজ করে মুড়িয়ে নিন। 
  • অন্যদিকে ফ্রাইপ্যানে সরিষার তেল গরম করুন। 
  • পুরভরা পাতা ব্যাটারে চুবিয়ে পোস্তাদানায় গড়িয়ে ডুবো তেলে ভাজুন।

Source: Shajgoj.com

রোজা ইফতারে হেলদি খেতে চাইলে এমন একটা আইটেম দিয়েই ইফতার করতে পারেন। চলুন দেখে নিই, চায়নিজ স্টাইল ষ্টার ফ্রাই ভেজি নুডুলস তৈরির পুরো প্রণালী।



উপকরনঃ
  • নুডুলস ২ কাপ সিদ্ধ করা 
  • পেয়াজ কিউব করে কাটা হাফ কাপ
  • রসুন কুচি ৪ টেবিল চামচ
  • সয়া সস ৪ টেবল চামচ
  • ফিস সস ২ টেবল চামচ
  • সুইট চিলি সস ১ টেবল চামচ
  • শুকনা মরিচ টালা গুড়া ১ চা চামচ
  • লবন স্বাদমত (খেয়াল রাখবেন লবন যেহেতু সয়া সসে থাকে)
  • টেস্টিং সল্ট ১ চা চামচ (ইচ্ছা)
  • পেয়াজ কলি লম্বা করে কাটা হাফ কাপ
  • ক্যাপসিকাম কুচি ১ কাপ ( লাল , হলুদ , সবুজ রং)
  • তেল ২ টেবিল চামচ (তিল এর তেল হলে ভালো)
প্রণালীঃ
  • প্রথমে প্যান এ তেল দিয়ে তাতে রসুন কুচি দিন সাথে দিন শুকনা মরিচ টালা গুড়া, সুইট চিলি সস দিয়ে সব সবজি দিয়ে দিন। 
  • রান্না করুন আরো ১০ মিনিট। এবার এতে নুডুলস, একে একে সয়া সস,ফিস সস, টেস্টিং সল্ট, পেয়াজ কিউব করে কাটা, পেয়াজ কলি, লবন স্বাদমত দিয়ে নাড়াচাড়া করে রান্না করুন ৬ থেকে ৭ মিনিট । 
  • নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন চায়নিজ স্টাইল ষ্টার ফ্রাই ভেজি নুডুলস !

Source: Shajgoj.com