সাধারণত ইফতারে মাংসের তৈরি খাবার একটু কমই রাখা হয়, কারণ হচ্ছে মাংসের তৈরি যে কোনো খাবার বানানো অনেক বেশি ঝামেলার। আজকে আপনাদের জন্য এমন একটি রেসিপি নিয়ে হাজির হলাম যা মাংসের তৈরি, কিন্তু এটি তৈরিতে একেবারেই কম সময় লাগবে। খুউব ঝটপট ইফতারের প্লেটে হাজির করতে পারবেন অত্যন্ত সুস্বাদু মুরগীর মাংসের বড়া। চলুন তাহলে শিখে নেয়া যাক খুব সহজ রেসিপিটি।
উপকরনঃ
১ কাপ হাড় ছাড়া মুরগীর মাংস
৪ পিস পাউরুটি
১ টি ডিম
২ টি পেঁয়াজ মিহি কুচি
কাঁচা মরিচ কুচি ঝাল বুঝে
১ চা চামচ কাবাব মসলা
সামান্য টেস্টিং সল্ট
লবণ স্বাদমতো
বিস্কিটের গুঁড়ো প্রয়োজন মতো
তেল ভাজার জন্য।
প্রণালীঃ
প্রথমে মাংস পানিতে নরম করে সেদ্ধ করে নিন। এরপর মাংস একটু পিষে নিলেই আঁশ আঁশ আলাদা হয়ে যাবে। এভাবে মাংস প্রস্তুত করে ফেলুন।
এরপর মাংসে পেঁয়াজ, মরিচ, আদা-রসুন বাটা, কাবাব মসলা, টেস্টিং সল্ট লবণ এবং পানিতে ডুবিয়ে পাউরুটি নরম করে মাংসে দিয়ে ভালো করে মাখাতে থাকুন।
একটি ডিম ভেঙে মিশ্রনে দিয়ে দিন এবং ভালো করে মাখিয়ে নিন। ডিম দেয়ার পর যদি মিশ্রন অনেক নরম হয়ে যায় তাহলে আরও পাউরুটির পিস দিতে পারেন।
মাখানো প্রয়োজন মতো হলে অল্প করে মিশ্রন নিয়ে হাতের তালুতে দিয়ে নিয়ের পছন্দমতো আকৃতি দিন এবং বিস্কিটের গুঁড়োয় গড়িয়ে নিয়ে অল্প তেলে দুপাশ লালচে করে ভেজে নিন।
একটি কিচেন টিস্যুতে রেখে বাড়তি তেল ঝেড়ে নিয়ে ইফতারের টেবিলে পরিবেশন করুন সুস্বাদু মুরগীর মাংসের বড়া
পারফেক্ট চিকেন ফ্রাই বানাতে পারেন নি এখনো? সমস্যা নেই, এখনি জেনে নিন কিভাবে মচমচে সুস্বাদু চিকেন ফ্রাই বানাবেন তাও খুব সহজে! এই রেসিপিটি তৈরি করতে সময় প্রয়োজন হবে মাত্র ৩০মিনিট। তাই বাসায় যদি হটাত কোন মেহমান এসে বসে ছটপট তৈরি করে দিতে পারবেন এই রেসিপিটি। আমার দেয়া পরিমাণ মত যদি রান্না করেন তাহলে চার জন খেতে পারবে। তাহলে চলুন দেখে নেই রেসিপিটি। *পটেটো ফ্লাওয়ার সুপার শপ গুলোতে পাবেন। খোঁজার ঝামেলা নিতে চাইলে নিজেও বানিয়ে নিতে পারবেন। আলু সিদ্ধ করেনা ভর্তা করেনা সমান প্লেটে ছড়িয়ে দিয়ে ১০-১২ ঘন্টা শুকিয়ে নিতে ববে। এরপর শুকনো আলু ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করেনা ব্যববার করতে ববে।
উপকরনঃ
মুরগীর ৮-১০ টুকরা
১ কাপ ময়দা
১ টেবিল চামচ লবণ
২ কি ডিম
১/৪ চা চামচ লাল মরিচ গুড়া
১/২ চা চামচ গোলমরিচ গুড়া
আধা কাপ পটেটো ফ্লাওয়ার
১/৪ কাপ পানি
প্রণালীঃ
মুরগী ফ্রিজ থেকে বের করেনা রুমের তাপমাত্রায় আনা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে ববে।
ময়দার সাথে লবণ, গোলমরিচ ও লাল মরিচ গুড়া, পটেটো ফ্লাওয়ার মেশাতে হবে।
ডিম ভালো করেনা ফেটে নিয়ে এতে পানি মেশাতে হবে।
মুরগীর টুকরা গুলো প্রথমে ডিমে ডুবিয়ে এরপর ময়দার মিশ্রণে গড়িয়ে নিতে ববে।
এরপর আবার উর্বশি ডিমে ডুবিয়ে নিয়ে একেবারে ময়দার মিশ্রণে গড়িয়ে নিতে হবে।
এবার মুরগীর টুকরা গুলো মিডিয়াম আচে ডুবো তেলে ভাজতে ববে। ৭-১৫ মিনিট পর রঙ সোনালী-বাদামি বলে উঠিয়ে গরম পরিবেশন করতে হবে।
নান আমরা অনেকেই খাই। কেউ রেস্টুরেন্টে কিনে খাই আবার অনেকে বাসায় তৈরি করে খাই এবং এটা তৈরির প্রক্রিয়াও একেক রকম। বাসায় তৈরি করতে গেলে অনেকে চুলায় বানান আবার কেউ ওভেনে বানান। আজ এখানে খুব সহজে একটি নরম নান তৈরির রেসিপি দিচ্ছি।
উপকরনঃ
ময়দা: দেড় কাপ
বেকিং পাউডার: ১/২ চা চামচ
বেকিং সোডা: ১/২ চা চামচ
ইনস্ট্যান্ট ইষ্ট: ১/২ চা চামচ
চিনি: ১/২ চা চামচ
টক দই: ১/৪ কাপ
দুধ: ১/৪ কাপ
তেল/ঘি: পরিমান মতো
রসুনকুচি: টপিংএর জন্য
প্রণালীঃ
ইষ্ট আর চিনি কুসুম গরম পানিতে গুলিয়ে তাতে দই আর অর্ধেক দুধ মিশিয়ে রাখতে হবে।
ময়দা, বেকিং পাউডার আর বেকিং সোডা ভাল করে মিশিয়ে ইষ্টের মিশ্রণ দিয়ে ভাল করে মেখে ডো বানাতে হবে, তখন বাকি দুধ যতটুকু লাগে দিতে হবে।
চট্টগ্রামের জনপ্রিয় লইট্টা মাছ ভাজির কথা নিশ্চয়ই শুনেছেন। সামুদ্রিক এই মাছটি চট্টগ্রামে খুবই জনপ্রিয়। বিশেষ করে ভাজি বা ভুনা করে খেলে তো কথাই নেই। এই লোভনীয় রান্নার রেসিপি নিয়েই আজ লিখছি। শহরে থেকে যারা সামুদ্রিক মাছের আসল স্বাদ পেতে চান, তাদের জন্য এই চট্টগ্রামের জনপ্রিয় লইট্টা মাছ ভাজি রেসিপিটি পারফেক্ট!
মূল উপকরনঃ
২৭৫ গ্রাম লইট্টা মাছ
১ চা-চামচ আদা বাটা
১ চা-চামচ রসুন বাটা
১ চা-চামচ পেঁয়াজ বাটা
১/২ চা-চামচ হলুদ গুঁড়া
৩ চা-চামচ লাল মরিচ গুঁড়া
১/২ চা-চামচ ভাজা ধনে গুঁড়া
১/২ চা-চামচ লবণ
১/২ চা-চামচ গোলমরিচ গুঁড়া
১/২ কাপ ময়দা
পরিমাণমতো তেল
ব্যাটার এর উপকরনঃ
৩/৪ কাপ চালের গুঁড়া
১/৪ চা-চামচ খাওয়ার সোডা
১/২ চা-চামচ লবণ
৩/৪ কাপ ময়দা
৫টি কাঁচা মরিচ কুচি
১ চা-চামচ রসুন বাটা
১/৪ চা-চামচ গোলমরিচ গুঁড়া
১/২ টেবিল চামচ লেবুর রস
১ টেবিল চামচ সিজনিং সস
পরিমাণ মতো গরম তেল
১ থেকে দেড় কাপ পানি
প্রণালীঃ
প্রথমে, পরিষ্কার একটি বাটিতে খাওয়ার সোডা, ময়দা, গোলমরিচ গুঁড়া, লবণ ও চালের গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে নিন।
এরপর অন্যান্য উপকরণ এবং ১ কাপ পানি দিয়ে মাখিয়ে নিন।
এবার বাকি ১/২ কাপ পানি দিয়ে মিশিয়ে ব্যাটার তৈরি করে ফেলুন।
লইট্টা মাছের ভাজি করতে হলে ভালো মতো মাছটি ধুয়ে নিতে হবে, যেন গন্ধ না করে।
তারপর তেল, ১ চা-চামচ লাল মরিচের গুঁড়া, ময়দা এবং লবণ বাদে বাকি সব উপকরণ দিয়ে মাছটি মেখে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন।
একটি পরিষ্কার পাত্রে লবণ, ময়দা ও মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে রেখে দিন।
ভাজার কিছুক্ষণ আগে ফ্রিজ থেকে মাছটি বের করে নিন।
পাত্রে মেশানো ময়দা এবং বাকি মস্লা গুলি আমার মিশিয়ে নিন।
এবার বের করে রাখা মাছগুলো ১ থেকে ২ মিনিট ব্যাটারে গড়িয়ে রাখুন।
তারপর কড়াইয়ে তেল গরম করে মাছগুলো মুচমুচে করে ভেজে উঠিয়ে নিন।
সচরাচর পালা-পার্বন ছাড়া মাটন রান্না হয়না। এর কারণ অনেকেই মাটন রান্না করতে জানেন না, সাহসও পান না তাই। আর এই রান্নায় যে অনেকগুলো উপকরণ লাগে তা বলাই বাহুল্য। আজ জেনে নিন মাটন রান্নার খুব সহজ একটি রেসিপি।
উপকরনঃ
৭৫০ গ্রাম মাটন চপ
৩/৪ টেবিল চামচ তেল
৪/৫টা লবঙ্গ
৭/৮টা গোলমরিচ
৩/৪টা এলাচি
১ ইঞ্চি পরিমাণ দারুচিনি
৩/৪টা বড় পিঁয়াজ স্লাইস করা
দের টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা
৩/৪টা কাঁচামরিচ চেরা
আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
১ চা চামচ মরিচ গুঁড়ো
১টা লেবুর রস
আধা কাপ টমেটো পিউরি
দেড় চা চামচ গরম মশলা গুঁড়ো
লবণ স্বাদমতো
২ টেবিল চামচ পুদিনা পাতা কুচি
আধা কাপ দই
প্রণালীঃ
একটি নন-স্টিক প্যানে তেল গরম করে নিন। এতে লবঙ্গ, গোলমরিচ, এলাচি এবং দারুচিনি দিয়ে সাঁতলে নিন।
তেলে পিঁয়াজ দিয়ে দিন, স্বচ্ছ হয়ে না আসা পর্যন্ত ভাজুন। এরপর মাটন চপ দিয়ে দিন। এতে আদা-রসুন বাটা দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন মাংসে। ঢাকনা চাপা দিয়ে রান্না হতে দিন ৫ মিনিট।
এরপর এতে কাঁচামরিচ দিয়ে আবার ঢেকে দিন ১০-১৫ মিনিটের জন্য। এরপর এতে হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো এবং লেবুর রস দিয়ে মিশিয়ে নিন।
টমেটো পিউরি দিন, মিশিয়ে রান্না হতে দিন ২-৩ মিনিট। এরপর গরম মশলা গুঁড়ো এবং লবণ দিয়ে মিশিয়ে নিন। এরপর পুদিনা পাতা এবং দই দিন। ভালো করে মিশিয়ে রান্না হতে দিন। মাংস পুরোপুরি রান্না হয়ে এলে নামিয়ে ফেলুন।
এই রোজায় ইফতারে কি খাচ্ছেন? সেই সবসময়ের মতো পিঁয়াজু-বেগুনি-আলুর চপ? একটু স্বাদ বদলে চমকপ্রদ কিছু তৈরি করতে চাইলে দেখে নিন আজকের চিকেন ব্রেড পিজ্জার রেসিপিটি। মাংস, পনির এবং ক্যাপসিকামের দারুণ স্বাদে ইফতারে আপনার মনটাই ভালো হয়ে যাবে। পেট ভরাতে সহায়ক এই স্ন্যাক্সটি ইফতার পার্টিতে পরিবেশন করতে পারেন, আবার প্রতিদিনের ইফতারেও রাখতে পারেন। চলুন দেখে নিই সহজ রেসিপিটি।
উপকরনঃ
২টা গ্রিলড চিকেন ব্রেস্ট, শ্রেড করা
৮টা পাউরুটির স্লাইস
পিজ্জা সস প্রয়োজনমতো
২ টেবিল চামচ মাখন
১ চা চামচ রসুন কুচি
আধা চা চামচ শুকনো মরিচ
৩/৪টা ফ্রেশ বেসিল পাতা
১ কাপ বিভিন্ন রঙের ক্যাপসিকামের লম্বা টুকরো
২০০ গ্রাম মোজারেলা চিজ, ছোট কিউব করে কাটা
ফ্রেশ অরিগানো প্রয়োজনমতো
প্রণালীঃ
ওভেন ১৮০ ডিগ্রিতে প্রিহিট হতে দিন।
একটি পাত্রে মাখন নিন। এতে শুকনো মরিচ ভেঙ্গে নিন।
রসুন এবং বেসিল পাতা ছিঁড়ে দিন। ভালো করে মিশিয়ে নিন।
মাখনের মিশ্রণ প্রতিটি রুটির স্লাইসের ওপরে মাখিয়ে নিন এবং একটি বেকিং ট্রেতে রাখুন।
এবার প্রিহিটেড ওভেনে দিয়ে ৪-৬ মিনিট বা মুচমুচে হওয়া পর্যন্ত বেক করে নিন।
মুচমুচে এই ব্রেড স্লাইসের ওপরে পিজ্জা সস দিয়ে নিন।
এর ওপরে চিকেন, ক্যাপসিকামের টুকরো, মোজারেলার টুকরো এবং কিছু অরিগানো দিয়ে দিন।
এবার প্রিহিটেড ওভেনে আবার দিয়ে দিন। চিজ গলে যাওয়া পর্যন্ত বেক করে নিন।
ইলিশের প্রতি বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে প্রতিটা বাঙালির। তাই খাবার তালিকায় ইলিশের গুরুত্বটা একটু বেশিই থাকে। তার উপর যদি কোনো উপলক্ষ্য বা অতিথি আপ্যায়নের বিষয় থাকে তবে তো কথায় নেই। ইলিশ মাছ দিয়ে তৈরি কত রকমের মুখরোচক খাবারই না তৈরি হয়। পোলাও, সাদা ভাত বা সসের সঙ্গে ইলিশ কাবাব কিন্তু অসাধারণ মেন্যু হতে পারে। তাছাড়া এই রমজান মাসে ইফতারের সাথে পরিবেশন করতে পারেন এই ইলিশের কাবাব। তাহলে আর দেরি কেন, চলুন শিখে নেয়া যাক ইলিশ কাবাব রেসিপি।
উপকরনঃ
ইলিশ মাছ ৫০০ গ্রাম,
হলুদ গুড়া আধা চা চামচ
সিরকা ১ টেবিল চামচ
পেয়াজ বেরেস্তা ৩ টেবিল চামচ
কাঁচা মরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ
ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ
ফেটানো ডিম ১ টা
কর্ণ ফ্লাওয়ার ১ চা চামচ,
লেবুর রস ১ চা চামচ
লবন স্বাদমতো
পরিমান মত তেল ভাজার জন্য
প্রণালীঃ
হলুদ গুড়া, সিরকা আর লবন দিয়ে ইলিশ সেদ্ধ করে কাঁটা ছাড়িয়ে নিন।
এবার তাতে পেয়াজ বেরেস্তা, কাঁচা মরিচ কুচি, ধনেপাতা কুচি, লেবুর রস, ফেটানো ডিম আর প্রয়োজন মতো কর্ণ ফ্লাওয়ার দিয়ে ভাল করে মেখে আধা ঘণ্টা ফ্রিজে রাখুন।
স্থানীয় ভাজাভুজির দোকানে সিঙ্গারা-সমুচার পাশাপাশি আরও একটা খাবার পাওয়া যায়, সেটা হলো ডিম-চপ। বাড়িতেও অনেকেই ডিম চপ তৈরি করেন অতিথি আপ্যায়নের জন্য। ডিম চপের আরও অভিজাত একটি ধরণ হলো নার্গিসি কোফতা। খুব সহজেই তৈরি করে ফেলতে পারবেন বাড়িতে। অতিথি আপ্যায়ন ছাড়াও বিকেল বেলার স্ন্যাক্স হিসেবে বা ইফতারে দারুণ লাগবে নার্গিসি কোফতা।
মুরগীর তৈরি কোন রেসিপির কথা আমার সামনে আসলে রান্না করার পুর্বেই আমি তা মনে মনে ভেবে ফেলি রান্নাও করে ফেলি এবং খেয়েও ফেলি। আর সেখানে যদি মুরগীর রেজালার মত রেসিপিরি কথা হয় তাহলে তো আর কথাই নেই। চলুন দেখে নেই কিভাবে রান্না করতে হবে।
উপকরনঃ
মুরগী – ১ কেজির ২ টি (১৪ পিস হবে)
সয়াবিন তেল – ৪ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো- ১ টেবিল চামচ
গরম মসলা- পরিমাণ মতো
আদা বাটা – ১ চা চামচ
আলু বোখারা – ২০০ গ্রাম
পেঁয়াজ বাটা – আধা কেজি
টক দই – ১ পোয়া
রসুন বাটা – ১ চা চামচ
লবণ – পরিমাণ মতো
শুকনো মরিচের গুঁড়ো -১ টেবিল চামচ
জিরা -৫০ গ্রাম
প্রণালীঃ
মুরগীর মাংসের টুকরো গুলো ভালো করে পরিষ্কার করে একটি হাঁড়ির মধ্যে রাখুন।
তারপর তেল সবটুকু ঢালুন।
পেঁয়াজ বাটা,লবণ পরিমাণ মত,হলুদ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ, মরিচের গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ, জিরা বাটা ১ টেবিল চামচ,আদা বাটা ১ চা চামচ,রসুন ১ চা চামচ ও ১ কাপ পরিমান টক দই মাংসের মধ্যে ঢালুন ।
এবার হাত দিয়ে সব মসলা মাংসের সাথে মেশান। তারপর এক কাপ পরিমাণ পানি মাংসে ঢালুন।
এবার হাঁড়ি চুলায় বসান।
কিছু সময় পর ঢাকনা খুলে চামচ দিয়ে নেড়ে দেখুন সব ঠিক আছে কিনা।
যদি সব ঠিক থাকে তাহলে কিছু সময় আঁচে রাখুন।
আবার কিছু সময় পর নেড়ে দেখুন মাংস সেদ্ধ হয়েছে কিনা,যদি সেদ্ধ হয়ে থাকে তাহলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।
আমার মনে এমন মানুষ খুজে পাওয়া দায় যে টক পছন্দ করে না। স্বাভাবিক হারে ১০০% এর মধ্যে ৮০% মানুষেই টক পছন্দ করে। আর টক প্রেমিদের একটি প্রিয় খাবার হল আমড়া। তো চলুন দেরি না করে ঝটপট শিখে নেই কিভাবে তৈরি করতে হয় এই আমড়ার আচার।।
উপকরনঃ
আমড়া ১২ টা
সির্কা ১ কাপ
হলুদ গুড়া ১/২ চা চামচ
মরিচ গুড়া ১ টেবিল চামচ
আদা বাঁটা ১/২ চা চামচ
রসুন বাঁটা ১ চা চামচ
সরিষার তেল ৩/৪ কাপ
লবন স্বাদমত
শুকনা মরিচ ২ টি
প্রণালীঃ
খোসা ফেলে আমড়া ফালি করে কেটে সির্কাতে ১০-১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে তুলে নিন।
এখন হলুদ ও লবন দিয়ে মেখে ১ দিন কড়া রোদে শুকিয়ে নিন।
গরম তেলে সব মসলা,আমড়া ও সির্কা দিয়ে নাড়ুন।আচার হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন।
খাবারটি আমরা সাধারণত কিনেই খেয়ে থাকি।কিন্ত জানেন কি? দারুণ এই খাবারটি চাইলে বাড়িতেই তৈরি করা যায় এবং খুব সহজে। আসুন, জেনে নেই চিকেন ব্রেড তৈরি করার দারুণ সহজ একটি রেসিপি। সাথে দেখে নিন কীভাবে ধাপে ধাপে চিকেন ব্রেড তৈরি করবেন ।তৈরি করুন নিজের হাতে, আর প্রথমবারেই এত সুন্দর ব্রেড তৈরি হবে যেমনটাই ভালো হয়ে যাবে। সবাই যখন গরুর রেসেপি নিয়ে ব্যাস্ত তাদের বলসি গরু কয়দিন খাইবেন ??? আমার মত মুরগি পাগলা যারা আছেন তাদের জন্য পুরা অস্থির একটি রেসেপি।। দেখুন নাহ…চেষ্টা করে পারেন নাকি ঘরে বানাতে দোকানের চিকেন ব্রেড।
খামিরের জন্য যা লাগবেঃ
ময়দা ৪ কাপ,
ঈস্ট ১ টেবিল চামচ,
বেকিং পাউডার ১/২ চা চামচ,
গুঁড়ো দুধ ২টেবিল চামচ,
কুসুম গরম পানি পরিমান মতো,
তেল ৪ টেবিল চামচ,
ডিম ২টি ( ১টি খামিরের সাথে দিবেন
অন্যটি ব্রেডের উপরে ব্রাশ করার জন্য),
চিনি ১ টেবিল চামচ,
লবণ দেড় চা চামচ,
মুরগীর মাংসের পুরের জন্য যা লাগবেঃ
চিকেন কিনা -১ কাপ
পিঁয়াজ মিহি কুচি -১কাপ
আদাবাটা – ১ চা চামচ
রসুনবাটা - ১ চা চামচ
সয়াসস – ৩ টেবিল চামচ
চিনি - সামান্য
কর্ণফ্লাওয়ার - ৩ টেবিল চামচ পানিতে গুলে নেয়া
গোলমরিচগুঁড়া – সামান্য
তেল
লবণ
প্রণালীঃ
সব উপকরন একত্রে মিশিয়ে খামির তৈরি করেনিন।
এবার খামিরটি এলুমিনিয়ামের পাত্রে রেখে ঢেকে গরম জায়গায় (আগুন জ্বালিয়ে গ্যাসের চুলার পাশে) রেখে দিন ২-৩ ঘন্টা। দেখবেন খামির ফুলে ডাবল হয়ে যাবে ।
তেল গরম করে পেঁয়াজ দিয়ে দিন। সামান্য লবণ ছিটিয়ে পেঁয়াজ ভাজুন। হালকা ও চকচকে হয়ে গেলে আদা রসুন বাটা ও কিমা দিয়ে দিন।
লবণ ও সয়া সস দিয়ে ভালো করে ভাজুন। সামান্য পানি দিন।
পানি শুকিয়ে কিমা সিদ্ধ হয়ে গেলে কর্ণফ্লাওয়ার, চিনি ও গোল মরিচ গুঁড়ো দিয়ে দিন। ভাজা ভাজা করে নামিয়ে দিন।
খামির ফুলে ডাবল হয়ে গেলে আবারম থেনিন। এবার খামিরটিকে সমান দুইভাগ করুন। প্রত্যেক ভাগদিয়ে rectangle shape (আয়তক্ষেত্রের আকার) এ রুটি বেলে নিন। রুটির মাঝখানে ১ কাপমাংসের পুরদিন। দুই পাশে ফিতার মত কেটে নিন। এবার এক পাশ
থেকে ফিতা নিয়ে পুরের উপর রাখুন আবার অন্য পাশ থেকে ফিতা এনে তার উপর রাখুন। বেনীর
মত ভাঁজ করুন। অন্য ভাগ দিয়ে এভাবে ডিজাইন করুন। (উপরের ছবিতে দেখুন)
এবার ওভেনের ট্রতে হাল্কা তেল মেখে তার উপর রুটি রাখুন। চুলার পাশে ১ ঘন্টা রেখে দিন।
১ ঘন্টা পর ফুলে দ্বিগুণ হবে। Electric oven (ইলেক্ট্রিক অভেন) আগে থেকেই ১৬০ ডিগ্রী তাপে ১০ মিনিট হিট দিন। ব্রেডগুলো ফুলেদ্বিগুণ হলে উপরে ডিমের কুসুম ব্রাশ সাদা তিল ছিটিয়ে ১৫০ ডিগ্রী তাপে ওভেনে বেক করুন ১৫-২০ মিনিট বা সোনালী রং হওয়া পর্যন্ত। ব্রেড হয়ে গেলে ওভেন থেকে নামিয়ে উপরে মাখন ব্রাশ করে ২-৩ মিনিট মোটা তোয়ালে দিয়ে ঢেকে রাখবেন। এতে ব্রেডগুলো নরম হবে।
অনেক সময় ইচ্ছা করলেও সম্ভব হয় না স্ট্রবেরি চিজ কেক বানিয়ে খেতে। তাই আপনাদের জন্য স্ট্রবেরি চিজ কেক এর রেসেপিটা পোস্ট করলাম। আশা করি আপনি আপনার চাহিদা মত বানিয়ে খাবেন।আমরা সাধারনত কেক দোকান থেকে কিনে খাই। কিন্তু ঘরে বসে নিজে চেষ্টা করে বানিয়ে খেলে কেমন হয় ? তাই সবাই রেসিপিটা বানিয়ে দেখুন। আর বুঝে নিন আসল স্বাদ।
বটম লেয়ারঃ
বিস্কিটের গুঁড়ো – ২ কাপ
চিনি – ২ টেবিল চামচ
বাটার – ৩ টেবিল চামচ
মিডেল লেয়ার(ফিলিং)-
ক্রিম চিজ – ১৬ আউন্স/ ২ প্যাকেট
চিনি -৩/৪ কাপ
ভ্যানিলা এক্সট্র্যাক্ট – ১ টেবিল চামচ
ডিম – ২ টি
টপ লেয়ারঃ
সাওয়ার ক্রিম – ২ কাপ
চিনি – ১/২ কাপ
ভ্যানিলা এক্সট্র্যাক্ট – ১ চা চামচ
স্ট্রবেরি – ২-৩ টি (ডেকোরেশন এর জন্য)
স্ট্রবেরি জেলি – ১২ আউন্স
কর্ণফ্লাওর – ২ টেবিল চামচ
পানি – ১/৪ কাপ
প্রণালীঃ
ওভেন ৩৫০ ডিগ্রী ফারেনহাইট অথবা ১৭৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস এ প্রি-হিট করে নিন।
একটি পাত্রে বটম লেয়ারের উপকরণগুলো একসাথে ভালভাবে মিশিয়ে নিন এবং পাই ফর্ম বা স্প্রিং ফর্মে সমান করে বিছিয়ে দিন।
প্রি-হিটেড ওভেনে মিশ্রণটি ১০মিনিট বেক করে নিন।
এবার অন্য একটি পাত্রে মিডেল লেয়ারের উপকরণগুলো ভালভাবে মিশিয়ে নিন যতক্ষণ পর্যন্ত না তা মোলায়েম হয়।এবার বিস্কিটের লেয়ারের উপর সমান করে ক্রিম ছিজের লেয়ারটি বিছিয়ে দিন এবং প্রি-হিটেড ওভেনে ৫০-৫৫ মিনিট পর্যন্তবেক করুন যতক্ষণ পর্যন্ত তা সেট হয়।
বের করে ১০-১৫ মিনিট ঠাণ্ডা হতে দিন
জেলি,কর্ণফ্লাওর এবং পানি বাদে বাকি উপকরণগুলো ভালভাবে মিশিয়ে বেকিং ট্রে তে বিছিয়ে ৫ মিনিট বেক করুন এবং বের করে ভালভাবে ঠাণ্ডা হতে দিন।
চুলাতে একটি প্যানে জেলি,কর্ণফ্লাওর এবং পানি ঘন না হওয়া পর্যন্ত জালদিন। ঘন হয়ে আসলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন এবং তারপর ঠাণ্ডা চিজ কেকের উপরবিছিয়ে দিন।
আস্ত স্ট্রবেরি পাতলা করে কেটে কেকের উপর ছড়িয়ে দিন।
ফ্রিজে কমপক্ষে ৫-৬ ঘণ্টা রেখে পরিবেশন করুন মজাদার চিজ কেক।
একটু ভিন্ন স্বাদের খাবার খেতে সকলেই চান। বিশেষ করে এমন খাবার যা শীতটাকে একটু দূরে রাখতে পারে। এর পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর হলে তো কথাই নেই। তাই আজকে শিখে নিন স্বাস্থ্যকর একটি খাবার ‘মুগ ডালের সবজি খিচুড়ি’।
উপকরনঃ
আধা কেজি চাল
আধা কেজি মুগ ডাল
গাজর, আলু, শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি ইত্যাদি সবজি মাঝারি আকারের কুচি ২ কাপ পরিমাণে।
৩/৪ টি পেঁয়াজ কুচি
৬/৭ টি মরিচ ফালি (ঝাল বুঝে)
তেজপাতা ২ টি
৩/৪ টি এলাচ
৩/৪ টি লবঙ্গ
২ টি ১ ইঞ্চি পরিমাণে দারুচিনি
২ চা চামচ আদা-রসুন বাটা
লবণ স্বাদমতো
তেল ৪ টেবিল চামচ
আধা চা চামচ হলুদগুঁড়ো
আধা চা চামচ জিরা
১ চা চামচ ঘি
২/৩ টি শুকনো মরিচ
প্রণালীঃ
চাল ডাল একসাথে মিশিয়ে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন।
এবারে একটি প্যানে ৩ টেবিল চামচ তেল গরম করে এতে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে নরম করে ভেজে নিন। এরপর এতে দিন আদা-রসুন বাটা।
এরপর একে একে এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি, তেজপাতা, হলুদগুঁড়ো, মরিচ ফালি ও লবণ দিয়ে ভালো করে মসলা কষে নিন।
মসলা কষা হয়ে এলে এতে চাল-ডাল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবং ২-৩ মিনিট নেড়ে ভাজতে থাকুন। এরপর এতে সবজি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।
এরপর পরিমাণমতো পানি দিয়ে চুলার আঁচ বাড়িয়ে রান্না করতে থাকুন।
খিচুড়ি একটু নরম হবে। এবং সেদ্ধ হয়ে এলে চুলার আঁচ একেবারে কমিয়ে দিন।
একটি কড়াইয়ে ১ টেবিল চামচ তেল ও ১ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে গরম করে এতে জিরা দিয়ে দিন। খানিকক্ষণ ভেজে এতে দিন শুকনো মরিচ।
এই মিশ্রণটুকু খিচুড়ির ওপর ঢেলে দিন। ও ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন ৫ মিনিট।
এরপর চুলা থেকে নামিয়ে গরম গরম মজা নিন এই সুস্বাদু খিচুড়ির।
পোলাও-বিরিয়ানির পাশাপাশি ঝটপট তৈরি করা যায় বলে খিচুড়ির চাহিদা কিন্তু বেশ। সাধারণ খিচুড়ির তুলনায় একটু ভিন্ন স্বাদের এবং ভুনা খিচুড়ি তৈরি করতে উৎসাহী থাকেন গৃহিণীরা। ঈদে কুরবানির ঝাল মাংসের সাথে বেশ ভালো মানিয়ে যায় খিচুড়ির আইটেম। তাই আজকে শিখে নিন সহজে সুস্বাদু ‘নওয়াবি ভুনা খিচুড়ি’ রান্নার পদ্ধতি।
উপকরনঃ
পোলাওয়ের চাল ১ কেজি
ডাল ২ কাপ
তেল ১ কাপ
ঘি ২ টেবিল চামচ
১ কাপ ঘন দুধ
আদা বাটা ২ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ
২ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
২ চা চামচ মরিচ গুঁড়ো
১ চা চামচ আস্ত জিরা
৫/৬ টি কাঁচা মরিচ (ঝাল অনুযায়ী)
লবণ স্বাদমতো
এলাচ ৬ টি
দারুচিনি মাঝারি আকারের ৪ খণ্ড
কাবাব মসলা ২ টেবিল চামচ
২ চা চামচ টেস্টিং সল্ট
পানি পরিমাণমতো
বাদাম কুচি আধা কাপ
কিশমিশ আধা কাপ
প্রণালীঃ
প্রথমে চাল ও ডাল ধুয়ে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে।
একটি প্যানে সামান্য তেল দিয়ে গরম করে আদা বাটা দিয়ে দিন। এতে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে বাদামি করে ভেঁজে নিন।
বাদাম কুচি সহ সব মসলা দিয়ে খানিকক্ষণ মসলা কষিয়ে নিন। লক্ষ্য রাখবেন যেন মসলা পুড়ে না যায় হবে।
এরপর এতে চাল দিয়ে খানিকক্ষণ নেড়ে চাল কষিয়ে নিন। এতে ঘন দুধ দিয়ে ভালো করে নেড়ে নিন। প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে ঢেকে দিন।
পানি কমে চাল সেদ্ধ হয়ে এলে কিশমিশ ও ২ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে নেড়ে ঢাকনা বন্ধ করে একটি তাওয়ার ওপর দিয়ে দমে বসান।
১০ মিনিট পর নামিয়ে ঝাল ঝাল মাংসের সাথে পরিবেশন করুন সুস্বাদু ‘নওয়াবি ভুনা খিচুড়ি’।
বিকালের নাস্তা আমাদের জন্য ট্রেডিশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৩ বেলা খাবার খাওয়ার পাশা পাশি বিকালের নাস্তা থাকাটাও আমাদের জন্য আবশ্যক হয়ে গেছে। তবে আজকের এই রেসিপিটি শুধু বিকালের নাস্তা নয় বরং গরম গরম ভাতের সাথেও পরিবেশন করা যাবে। আমরা সকলেই কম বেশ স্পাইসি খাবার পছন্দ করি। ঠিক আছে আর কথা না বাড়িয়ে চলুন দেখে নেই কিভাবে ডাল ও সবজির মিশ্রনে পেয়াজু তৈরি করবেন।
উপকরনঃ
মসুর ডাল-১ কাপ
মটর ডাল-১ কাপ
পেঁয়াজকুচি-২ কাপ
ইচ্ছেমতো সবজি ৫-৬ রকমের প্রতিটি ১ কাপ করে যেমনঃ
গাজরকুচি- ১ কাপ
বাঁধাকপির কুচি – ১ কাপ
মুলাকুচি – ১ কাপ
আলুকুচি – ১ কাপ
মটরশুঁটি – ১ কাপ
ধনেপাতাকুচি – ১ কাপ
কাঁচা মরিচকুচি -২ টেবিল-চামচ
বেসন -৪ টেবিল-চামচ
লবণ- পরিমাণ মত
প্রণালীঃ
ডাল ধুয়ে তিন-চার ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে বেটে নিন।
সমস্ত উপকরণ একসঙ্গে মাখিয়ে গরম তেলে পেঁয়াজু ভেজে নিন।
আর গরম গরম পরিবেশন করুন।
বিকেল বেলা চায়ের সাথে হালকা টিফিন তো খাওয়াই হয়। এই সময়টাতে তেলে ভাজা খাবার না খেয়ে একটু ভিন্ন কিছু খেতে চাইলে তৈরি করতে পারেন মজাদার আলুর স্যান্ডউইচ। খুব সহজেই ঝটপট তৈরি করে ফেলা যায় ভীষণ মজার এই খাবারটি। জেনে নিন রেসিপিটা।
উপকরনঃ
আলু সেদ্ধ দু’টি,
সয়াবিন তেল এক টেবিল চামচ,
গোল মরিচের গুঁড়ো দেড় চা চামচ,
রসুন বাটা দেড় চা চামচ,
আদা বাটা দেড় চা চামচ,
পেঁয়াজ একটি ছোট (কুচি করা),
লবণ পরিমাণ মতো,
টমেটো সস,
বাটার।
প্রণালীঃ
আলু সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে মেখে নিন। এরপর আলুর সাথে টমেটো সস ছাড়া সব উপকরণ মাখিয়ে নিন। একটি পাত্রে তেল গরম করে আলুর মিশ্রণটাকে কিছুক্ষণ ভেজে নিন। পাউরুটি টোস্টারে টোস্ট করে নিন অথবা রুটি ভাজার তাওয়ায় হালকা সেঁকে টোস্ট করে নিন। এরপর পাউরুটিগুলোকে মাঝে কেটে নিন কোণাকুণি করে। পাউরুটির মাঝে প্রথমে বাটার লাগিয়ে নিন তারপর টমেটো সস লাগিয়ে নিন। এরপর আলুর মিশ্রণটি পাউরুটির একটি টুকরাতে একটু পুরু করে লাগিয়ে উপরে পাউরুটির অপর টুকরাটি বসিয়ে দিন। ব্যস হয়ে গেল মজাদার আলুর স্যান্ডউইচ। বিকেল বেলা গরম চায়ের সাথে পরিবেশন করুন মজাদার ভিন্নধর্মী এই ডিশটি।করুন।
উপকরনঃ
ছোট করে কাটা মুরগির মাংস ৫০০ গ্রাম,
টমেটো কুচি ১ কাপ,
টমেটো সস আধা কাপ,
চিলি সস ৩ টেবিল চামচ,
লবণ পরিমাণমতো,
কাঁচা মরিচ ফালি ৪টি,
রসুন বাটা ১ চা চামচ,
আদা বাটা ২ চা চামচ,
সয়াবিন তেল ১ কাপের চার ভাগের এক ভাগ,
টকদই ৪ টেবিল চামচ,
ভাঁজ খোলা পেঁয়াজ ১ কাপ,
মরিচ গুঁড়া ২ চা চামচ,
তেজপাতা ২টি,
ধনেপাতা কুচি পরিমাণমতো।
প্রণালীঃ
কড়াইয়ে তেল গরম করে তেজপাতাসহ সব মসলা দিয়ে কষিয়ে টমেটো কুচি দিন।
স্পেশাল খাবার কে কে পছন্দ করেন হাত তুলুন? আরে আরে আরে!!! সবাই তো দেখি হাত তুলে বসে আছে। হুম আসলে ব্যাপারটাই এমন আমরা বাঙালি খেতে তো খুব পছন্দ করি। যাক আজকে আপনাদের নিয়ে লাম মুরগী কিংবা মোরগের মোসাল্লাম এর রেসিপি। কোন একদিন বানিয়ে ফেলুন আর চমকে দিন আপনার স্বামীকে। রেসিপিটি তেমন কঠিন নয় তাই চেষ্টা করলে যে কোন স্বামী এই রান্নাটি করে চমকে দিতে পারেন তার স্ত্রীকে।
উপকরনঃ
এক কেজি ওজনের আস্ত মুরগি ১টি,
পেঁয়াজ বাটা ১ কাপ,
কাঁচা মরিচ ৫টি,
রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ,
আদা বাটা ৩ টেবিল চামচ,
ধনে গুঁড়া ২ চা চামচ,
সয়াবিন তেল বা ঘি ১ কাপ,
ঘি ৩ টেবিল চামচ,
দই আধা কাপ,
পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ,
গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ,
কাজু ও পোস্ত বাটা ৩ টেবিল চামচ,
কিশমিশ বাটা ২ টেবিল চামচ,
কেওড়া পানি ১ চা চামচ,
আলু সিদ্ধ ২টি,
ডিম সিদ্ধ ২টি,
কাজু ও পেস্তা কুচি মিলিয়ে একসঙ্গে ৩ টেবিল চামচ,
লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালীঃ
মুরগির ভেতরটা ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন।
সিদ্ধ ডিম ও আলু সামান্য লবণ দিয়ে ভেজে নিন।
এবার ডিম ও আলু মুরগির পেটের ভেতর ঢুকিয়ে হাত, পা ও পেট ভালো করে সেলাই করে হালকা ভেজে নিন।
ওই তেলে সব মসলা কষিয়ে নিন।
মসলা কষানো হলে মুরগি দিন। অল্প অল্প করে দই দিন। মাখা মাখা হয়ে এলে কাজু ও পেস্তা কুচি, পেঁয়াজ বেরেস্তা, কাঁচা মরিচ ও কেওড়া দিয়ে নামিয়ে নিন