WHAT'S NEW?
Loading...
Showing posts with label স্বাস্থ্যকর. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্যকর. Show all posts

বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সারের নিরাময় পদ্ধতি বিভিন্ন ধরণের। স্তন্য ক্যান্সার হচ্ছে সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ক্যান্সার যা নিরাময় করাটা কঠিন। ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন এবং এপিডারমাল গ্রোথ ফ্যাক্টর রিসেপ্টর ২ (HER2) এই ৩ টি উপাদানের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির উপর ভিত্তি করে ব্রেস্ট ক্যান্সারকে শ্রেণী বিভক্ত করা হয়। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, গবেষকেরা স্তন্য ক্যান্সার নিরাময়ের প্রাকৃতিক উপাদান খুঁজে পেয়েছেন। আর সেই ঘরোয়া উপাদানটি হচ্ছে কাঁচামরিচ।

এছাড়াও কাঁচামরিচে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এবং এতে রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান ও বিদ্যমান। কাঁচামরিচ ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং আয়রন এ সমৃদ্ধ। ফ্রি র‍্যাডিকেলের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করে কাঁচামরিচ। কাঁচামরিচের ক্যান্সার নিরাময়ে সাহায্য করে যেভাবে :

টিআরপি চ্যানেল
ক্যাপসাইসিন নামক সক্রিয় উপাদান থাকে কাঁচামরিচে যা ক্যান্সার কোষের উপর প্রভাব সৃষ্টি করে। গবেষণামতে বিভিন্ন সম্ভাব্য অস্থায়ী রিসেপ্টর (TRP)  চ্যানেলের প্রভাব ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধির উপর পড়ে। টিআরপি চ্যানেলগুলোকে ঝিল্লিময় আয়ন চ্যানেলের উদ্দীপনার দ্বারা প্রভাবিত করা যেতে পারে।

ক্যাপসাইসিন এর প্রভাব
ক্যাপসাইসিন কোষের মৃত্যুর উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে এবং ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিকে প্রতিহত করতে পারে। এটা শুধু ব্রেস্ট ক্যান্সারই নয় কোলন ক্যান্সার ও অগ্ন্যাশয় ক্যান্সার নিরাময়েও সাহায্য করতে পারে। 

অলফ্যাক্টরি রিসেপ্টর
এটি এমন এক ধরণের প্রোটিন যা ছোট অণুগুলোকে একসাথে আবদ্ধ করতে পারে। এটি ক্যাপসাইসিনের দ্বারাই সক্রিয় হয়। গবেষণায় এটা জানা গেছে যে, টিআরপি চ্যানেল সক্রিয় হওয়ার পরে ক্যান্সার কোষ এবং অনেক বেশি সংখ্যক টিউমার কোষ ও মারা যায়।

ব্রেস্ট ক্যান্সার
চূড়ান্তভাবে গবেষণা শেষে এটাই বলা হয় যে, খাবারের মাধ্যমে বা শ্বাসের মাধ্যমে ক্যাপসাইসিন গ্রহণ করাই ক্যান্সার কোষ নিরাময়ের জন্য যথেষ্ট।

Source: Priyo.com
 

গাজর একটি স্বাস্থ্যকর সবজি। গাজর ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং  বিটা ক্যারোটিন এ ভরপুর থাকে। পুষ্টিতে সমৃদ্ধ গাজরের স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রচুর।  গাজর কাঁচা, সিদ্ধ বা রান্না করেও খাওয়া যায়। গাজরের কয়েকটি স্বাস্থ্যকর খাবার প্রস্তুত প্রণালী জেনে নিই চলুন।

১। ক্যারট রাইস
চুলায় মাঝারি আঁচে একটি পাত্র বসান। পাত্রে সামান্য তেল দিন। এবার এতে বুটের ডাল, মটরের ডাল, সরিষা বীজ এবং জিরা দিন। এর মধ্যে কারী পাতা ও এক কাপ গাজর কুচি যোগ করুন। অল্প আঁচে ৫ মিনিট রান্না করুন। লবণ ও হলুদ যোগ করুন। এবার এর মাঝে ভাত যোগ করুন। ৩ মিনিট রান্না করুন। সবশেষে ধনে পাতা যোগ করুন এবং গরম গরম পরিবেশন করুন ক্যারট রাইস। 

২। গাজরের স্যুপ
টুকরো করা গাজর ও ভেজিটেবল স্টক ব্লেন্ডারে নিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। একটি পাত্রে তেল গরম করে নিন। গরম তেলে পেঁয়াজ কুঁচি, আদা কুঁচি, সেলেরি ডাঁটা কুঁচি ও অরিগেনো যোগ করুন। গাজর ও ভেজিটেবল স্টক এর মিশ্রণটিতে লবণ ও মরিচ যোগ করুন। এবার ১০ মিনিট রান্না করুন। তারপর রান্না করা সবজিগুলো ব্লেন্ডারে দিন এবং এর সাথে সিদ্ধ আলু যোগ করে মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। এবার ধনেপাতা যোগ করে গরম গরম পরিবেশন করুন।

৩। ক্যারট অ্যাপল স্যান্ডউইচ
১ টি আপেল ও আধা কাপ গাজর কুঁচি করে নিন। একটি পাতলা সুতি কাপড়ের মধ্যে ৫-৬ টেবিল চামচ দই নিয়ে কাপড়টি পুঁটলির মত করে একঘন্টা ঝুলিয়ে রেখে দিন যাতে দই থেকে পানি আলাদা হয়ে যায়। আপেল ও গাজর কুঁচির সাথে লবণ, মরিচ, দই ও অরিগেনো দিয়ে ভালো করে মিশান। এবার পাউরুটির টুকরায় মাখন লাগান এবং সবজি ও ফলের মিশ্রণটি দিয়ে উপরে আরেকটি পাউরুটির টুকরা যোগ করুন। ব্যাস তৈরি হয়ে গেল ক্যারট অ্যাপল স্যান্ডউইচ।

৪। ওটস ও গাজরের ক্ষীর
৪ টেবিল চামচ ওটস ও ৭-৮ টি কিশমিশ আধা কাপ দুধে ভিজিয়ে রাখুন। ১ কাপ দুধ ও একটি গাজরের অর্ধেক অংশ একসাথে মিশিয়ে ৫ মিনিট সিদ্ধ করুন। এখন এর মধ্যে ভেজানো ওটস ও কিশমিশ দিয়ে ৫ মিনিট রান্না করুন। এক চিমটি এলাচ গুঁড়া ও ৩-৪ টি কাঠ বাদাম যোগ করে গরম গরম পরিবেশন করুন।

৫। গাজরের কেক
প্রথমেই ওভেনকে ২০০ ডিগ্রী তাপে প্রিহিট করে নিন। বেকিং ডিশে অল্প বাটার লাগিয়ে নিন। ৩০ গ্রাম গাজর কুঁচি, ১৫ গ্রাম ময়দা, ১ চা চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ পরিমাণ বেকিং পাউডার, ১ চা চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ পরিমাণ বেকিং  সোডা, ১ চা চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে নিন। ২ টা ডিমের সাদা অংশ ফেটিয়ে নিন। ১ টেবিল চামচ দুধ ও ভেনিলা এক্সট্রাক্ট নিন। ভেজা ও  শুকনো সবগুলো উপাদান একসাথে মিশিয়ে বাটার লাগিয়ে রাখা বেকিং ডিশে ঢালুন।  প্রিহিট করে রাখা ওভেনে দিয়ে ১৫ মিনিট বেক করুন। ওভেন থেকে বের করে ৫  মিনিট পরে পরিবেশন করুন গাজরের কেক।