WHAT'S NEW?
Loading...
Showing posts with label স্পেসাল. Show all posts
Showing posts with label স্পেসাল. Show all posts

মুখরোচক থাই খাবার বরাবরই পছন্দ বাঙালীদের। বিশেষ করে রাইসের সাথে মশলাদার থাই কারি। মজাদার এই খাবারটি আরেকটি ধরণ নিয়ে এলাম আপনাদের জন্য। থাই কারি রাইসের মজাটা পাবেন রাইস বলসের ভেতরে। এটা তৈরি করাটাও বেশ সহজ। চলুন দেখে নিই রেসিপিটি।

উপকরণ:

থাই গ্রিন পেস্টের জন্য
  • ১৬-২০টি ধনেপাতার কান্ড
  • ২টি কাঁচামরিচ
  • ১ ইঞ্চি লেমন গ্রাস
  • আধা চা চামচ আদা গুঁড়ো
  •  আধা চা চামচ ধনে
  • পৌনে এক চা চামচ জিরা
  • ২ টেবিল চামচ টাটকা ধনেপাতা
  • লবণ স্বাদমতো
 
নারিকেলের পিউরির জন্য
  • ১৬-২০টি বেসিল পাতা
  • আধা কাপ নারিকেলের দুধ 
রাইস বলের জন্য
  • ১ কাপ রান্না করে রাখা জেসমিন রাইস
  • আধা কাপ নারিকেলের দুধ
  • সিকি কাপ সয়া চাঙ্ক
  • আধা চা চামচ চিনি
  • এক টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচি
  • এক টেবিল চামচ বেবি কর্ন কুচি
  • ২ টেবিল চামচ জুকিনি কুচি
  • ১ টেবিল চামচ লাল ক্যাপসিকাম কুচি
  • ব্রেডক্রাম্বস প্রয়োজনমত
  • কয়েক চামচ ময়দা
  • ভাজার জন্য তেল

    প্রণালী:
    • প্রথমে থাই গ্রিন পেস্ট তৈরি করে নিন। 
    • সবগুলো উপকরণ একত্রে মিক্সারে দিয়ে পেস্ট করে নিন।
    • একইভাবে নারিকেলের দুধ ও বেসিল পাতা দিয়ে পিউরি তৈরি করে নিন।
    • একটি ফ্রাইপ্যানে আধা কাপ নারিকেলের দুধ গরম করে নিন। 
    • এতে প্রথমে থাই গ্রিন পেস্ট দিয়ে মিশিয়ে নিন। 
    • এরপর এতে নারিকেল-বেসিল পিউরি দিয়ে মিশিয়ে নিন। 
    • দরকার হলে অল্প করে লবণ দিন। 
    • ফুটে এলে এতে সয়া চাঙ্ক দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে রান্না করুন। 
    • সয়া চাঙ্ক আধা সেদ্ধ হয়ে এলে এতে সবজিগুলো দিয়ে দিন। 
    • নেড়েচেড়ে মিশিয়ে নিন সবগুলো। 
    • সয়া চাঙ্ক এবং সবজি সেদ্ধ হয়ে এলে নামিয়ে নিন।
    • এই সবজির সস ঢেলে দিন জেসমিন রাইসের ওপর। 
    • মিশিয়ে নিন ভালো করে। 
    • এরপর এই মিশ্রণ কিছুক্ষণ ফ্রিজে রাখুন যাতে বল তৈরি করতে সুবিধা হয়।
    পুরো রেসিপিটি ভিডিওতে দেখুন! 


    Source: Priyo.com
     

    আচার নামটি শুনলেই জিভে পানি চলে আসে। আমের আচার, জলপাইয়ের আচার অথবা বরই আচার নানা রকম আচার তৈরি করা হয়। অনেকে সবজি আচার তৈরি করে থাকেন। বেগুনের আচার তৈরি করেছেন কখনও? বেগুন দিয়ে মজাদার আচার তৈরি করা সম্ভব। ভাবছেন কীভাবে? আসুন তাহলে জেনে নিন রেসিপিটি।

    উপকরণ:
    ২৫০ গ্রাম বেগুন পাতলা করে কাটা
    ২ টেবিল চামচ সরিষা বীচি
    ভিনেগার
    ১ কাপ সরিষা তেল
    ৪টি কাঁচা মরিচ
    ৮ কোয়া রসুনের কোয়া
    ১ চা চামচ গোল মরিচের গুঁড়ো
    ১/২ চা চামচ হলুদের গুঁড়ো
    ১ চা চামচ জিরা গুঁড়ো
    ২ চা চামচ মরিচের গুঁড়ো
    এক কাপ ভিনেগার

    প্রণালী:
    ১। বেগুন পাতলা করে কেটে লবণ পানির মধ্যে এক ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন।
    ২। এক ঘন্টা পর বেগুন থেকে পানি ঝরিয়ে নিন। এর সাথে সরিয়া বীচি এবং ভিনেগার মেশান।
    ৩। একটি প্যানে তেল গরম করতে দিন। তেলে বেগুনের টুকরোগুলো দিয়ে দিন। বাদামী রং হওয়ার পর্যন্ত ভাজুন।
    ৪। ভাজা হয়ে গেলে বেগুনগুলো প্যান থেকে নামিয়ে ফেলুন।
    ৫। একই তেলে কাঁচা মরিচ, আদা এবং রসুন দিয়ে নাড়ুন।
    ৬। এবার তেলে সরিয়া বাটা, গোলমরিচ, হলুদ গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, চিনি, ভিনেগার এবং ভাজা বেগুন দিয়ে দিন।
    ৭। এরসাথে লবণ দিয়ে অল্প আঁচে ৫ মিনিট রান্না করুন।
    ৮। পাঁচ মিনিট পর নামিয়ে ফেলুন। ব্যস তৈরি হয়ে গেল মজাদার বেগুনের আচার।

    ভিডিও দেখুনঃ

    Source: Priyo.com


    গরুর মাংস সকলেরই প্রিয় খাবার। যাদের গরুর মাংসে খাওয়ায় সমস্যা রয়েছে তারাও গরুর মাংস দেখলে খাওয়ার লোভ সামলাতে পারেন না। আজকের আয়োজনে গরুর মাংসপ্রিয়দের জন্য রইল ভিন্ন একটি রেসিপি। খুব সহজে ও কম সময়েই তৈরি করতে পারবেন এই খাবারটি।



    উপকরনঃ
    • ১ কেজি গরুর মাংস,
    • ৪/৫ টি বড় পেঁয়াজ (মোটা করে কাটা),
    • আদাবাটা ২ টেবিল চামচ,
    • রসুন বাটা ৪ চা চামচ,
    • হলুদ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ,
    • মরিচ গুঁড়ো ৪ চা চামচ,
    • ২ কাপ দুধ, লবণ স্বাদ মতো,
    • ৫/৬ টি শুকনো মরিচ,
    • কাঁচামরিচ আস্ত ৮-১০টি,
    • ৪/৫ টি এলাচ, ২টি তেজপাতা,
    • ২ খণ্ড দারুচিনি,
    • ৫/৬ টি লবঙ্গ ও সরিষার তেল পরিমাণমতো।

    প্রণালীঃ
    • মাংস কেটে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। একটি পাত্রে দুধ, ২ চা চামচ মরিচ গুঁড়ো, ২ চা চামচ রসুন বাটা, ১ চা চামচ আদা বাটা ও ৩ টেবিল চামচ সরিষার তেল দিয়ে মাংস ৩০ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন। 
    • প্রথমে একটি প্যানে সরিষার তেল গরম করে এতে শুকনো মরিচ দিয়ে ভেজে নিন। এরপর এতে পেঁয়াজ, তেজপাতা এবং গরম মসলা দিয়ে অল্পক্ষণ ভেজে নিয়ে আদা ও রসুনবাটা, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া এবং লবণ দিয়ে মসলা কষে নিন।
    • মসলা ভালো করে কষিয়ে গরুর মাংস দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে দিন এবং কষাতে থাকুন। মাংস কষিয়ে এতে অল্প পানি দিন। যখন বুঝবেন মাংস মাখামাখা হয়ে আসছে তখন কাঁচামরিচ দিয়ে মাংস চুলার উপরে রেখে দিন আরো ১০ মিনিট। ১০ মিনিট পর চুলা থেকে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।


    পোস্ত দিয়ে ডিম রান্না করার এই ধাঁচটি মূলত পশ্চিমবঙ্গে দেখা যায়। বাড়িতে তো খাওয়া যাবেই, মেহমান এলেও পরিবেশন করতে পারবেন নিশ্চিন্তে।

    উপকরনঃ
    • চারটা ডিম
    • পোস্তদানা চার টেবিল চামচ
    • পিঁয়াজ তিনটা কুচি করা
    • আদা বাটা এক চা চামচ
    • রসুন বাটা আধা চা চামচ
    • হলুদ গুঁড়ো এক চা চামচ
    • মরিচ গুঁড়ো আধা চা চামচ
    • কাঁচামরিচ দুটো কুচি করা
    • তেজাপাতা দুটো
    • চারটা এলাচ
    • লবঙ্গ চারটা
    • এক টুকরো দারুচিনি
    • ছয় টেবিল চামচ সর্ষের তেল
    • লবণ স্বাদমতো

    প্রণালীঃ
    • পোস্তদানা ভিজিয়ে রাখুন এক ঘন্টা। এরপর কাঁচামরিচের সাথে বেটে নিন।
    • ডিমগুলোকে হার্ড বয়েল অর্থাৎ ভালো করে সেদ্ধ করে নিন। এরপর লম্বালম্বি অর্ধেক করে কাটুন। এর ওপর ছড়িয়ে দিন লবণ, হলুদ গুঁড়ো এবং একটু মরিচ গুঁড়ো। সাবধানে মাখিয়ে নিন মশলা যাতে ডিমগুলো ভেঙ্গে না যায়।
    • চ্যাপ্টা একটি ফ্রাইপ্যান গরম করে নিন। এতে দিন দুই টেবল চামচ সর্ষের তেল। এতে কাটা অংশ নিচের দিকে দিয়ে ডিমগুলোকে ভেজে নিন। একদিক ভাজা হলে উল্টে ওপর দিকটি ভেজে নিন। এরপর উঠিয়ে রাখুন।
    • ওই একই সসপ্যানে বাকি তেলটুকু দিয়ে দিন। তেল গরম হলে এতে দিন তেজপাতা, এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি এবং ৩০ সেকেন্ড নেড়েচেড়ে ভেজে নিন। এরপর এতে দিন পিঁয়াজ, রসুন এবং আদা। পিঁয়াজ হালকা ভাজা ভাজা হয়ে এলে হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো এবং আধা কাপ পানি দিন। জ্বাল কমিয়ে কষুন যাতে পিঁয়াজ পানিতে নরম হয়ে আসে।
    • মশলার ওপর তেল চলে এলে পোস্তদানা বাটা দিয়ে দিন এর মাঝে। ভালো করে কষিয়ে নিন, তেল আবারও ওপরে উঠে আসবে। ঝোলের মাঝে ছেড়ে দিন ভাজা ডিমগুলো। এক মিনিটের মতো ঝোলে রান্না হতে দিন ডিমগুলোকে। চুলা বন্ধ করে দিয়ে আধা চা চামচ সর্ষের তেল যোগ করতে পারেন ইচ্ছে হলে।
    • খুব সহজেই তৈরি হয়ে গেলো ডিম পোস্ত। পরিবেশনের সময়ে ওপরে ছড়িয়ে দিন টাটকা ধনেপাতা। সর্ষের তেলের সুবাসে গরম ভাত দিয়ে এই তরকারি খেতে দারুণ লাগবে।


    আতিয়া আমজাদের ছবিতে দেখুন। জিভে জল আনা অত্যন্ত লোভনীয় চেহারার তেহারিটা দেখেই কি পারফেক্ট মনে হচ্ছে না? একেকজন একেকভাবে তেহারি রান্না করেন। তবে হ্যাঁ, অনেকেরই তেহারিতে পারফেক্ট স্বাদটা আসে না। অনেকে আবার অনুসরণ করেন খুবই জটিল রেসিপি। চলুন, আজ জেনে নি আপনার মনের মত পারফেক্ট স্বাদের তেহারি রান্না করার একটি দারুণ সহজ রেসিপি। একদম নতুন রাঁধুনিদেরও এই রেসিপি দেখে রাঁধলে খাবারটি হবে দারুণ সুস্বাদু।

    উপকরনঃ 
    • গরুর মাংস ১ কেজি, 
    • দই (টক+মিস্টি বা যে কোনো টা) ৫ টে চামচ, 
    • পেঁয়াজ কুচি দেড় কাপ, 
    • আদা বাটা ৩ টেবিল চামচ, 
    • রসুন বাটা ৩ টেবিল চামচ, 
    • পেঁয়াজ বাটা ১ কাপ, 
    • কাঁচা মরিচ বাটা ১ টে চামচ, 
    • সরিষা বাটা ১ টে চামচ, 
    • কাঁচা পেঁপে বাটা ১ টে চামচ, 
    • মরিচ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ, 
    • ধনে গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ, 
    • জিরা গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ, 
    • কালো গোলমরিচ গুঁড়ো আধা চা চামচ, 
    • তেজপাতা ২টি, 
    • দারচিনি ২ সেমি ৫ টুকরো, 
    • এলাচ ৫টি, 
    • লবঙ্গ ৪টি, 
    • কাঁচামরিচ ১৫ টি মাঝে চিরে নেয়া, 
    • সরিষার তেল ১ কাপ, 
    • সয়াবিন তেল হাফ কাপ, 
    • পোলাওয়ের চাল ১ কেজি, 
    • আলু চৌকো করে কাটা ও ভেজে নেয়া (২ কাপ), 
    • লবণ ১ চা চামচ মাংসের জন্য + ১ চা চামচ পোলাও এর জন্য গরম পানি ১০ কাপ।
    প্রণালীঃ 
    • মাংস ছোট টুকরো করে ধুয়ে নিন। ২ টে চামচ করে আদা-রসুন বাটা সহ সমস্ত বাটা ও গুঁড়ো মসলা অর্ধেকটা সরিষার তেল, পুরোটা সয়াবিন তেল এবং দই, লবণ দিয়ে মাংস মাখিয়ে রাখুন। খুব ভালো হয় মাখিয়ে সারা রাত ফ্রিজে রেখে দিতে পারলে। 
    • একটা বড় হাঁড়িতে তেল গরম করে অর্ধেকটা করে পেঁয়াজ তেজপাতা ও গরম মসলা সামান্য ভেজে মাংস, লবণ দিন। মাংস কষিয়ে ভুনা করুন। 
    • মাংস কষানো হলে অর্ধেকটা গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন যেন মাংস সিদ্ধ হওয়ার পরও বেশ খানিকটা ঝোল থাকে। ঝোল টেনে এলে বাকি অধের্কটা পানি দিন। এ সময় অল্প তেলে আলু ভেজে সেটাও রেডি রাখুন। 
    • মাংস সিদ্ধ হয়ে এলে আলু ও ঝোলে দিয়ে দিন এবং মোটামুটি সিদ্ধ করে নিন। 
    • এবার পোলাও এর জন্য প্যানে বাকি সরিষার তেল এ পেঁয়াজ কুচি ও বাকি আদা রসুন বাটা ও গরম মসলা দিয়ে কষিয়ে নিন। চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে মসলায় দিন। ২-৩ মিনিট ভাজুন। 
    • গন্ধ ছড়ালে রান্না করা মাংস ঝোল সহ চালের ওপর ঢেলে মিশিয়ে দিন। ঝোলের পানিতেই পোলাও রান্না হয়ে যাবে। লবণ দিন। চাল ফুটে গেলে নিচে তাওয়া দিয়ে দমে দিয়ে দিন এবং ওপরে কাঁচামরিচ দিয়ে ঢেকে মৃদু আঁচে ২০ মিনিট রাখুন। চুলা থেকে নামিয়ে রাখুন। ২০-২৫ মিনিট পর ঢাকনা খুলবেন। 
    • সালাদ দিয়ে পরিবেশন করুন।

    স্পেশাল খাবার কে কে পছন্দ করেন হাত তুলুন? আরে আরে আরে!!! সবাই তো দেখি হাত তুলে বসে আছে। হুম আসলে ব্যাপারটাই এমন আমরা বাঙালি খেতে তো খুব পছন্দ করি। যাক আজকে আপনাদের নিয়ে লাম মুরগী কিংবা মোরগের মোসাল্লাম এর রেসিপি। কোন একদিন বানিয়ে ফেলুন আর চমকে দিন আপনার স্বামীকে। রেসিপিটি তেমন কঠিন নয় তাই চেষ্টা করলে যে কোন স্বামী এই রান্নাটি করে চমকে দিতে পারেন তার স্ত্রীকে।

    উপকরনঃ 

    • এক কেজি ওজনের আস্ত মুরগি ১টি, 
    • পেঁয়াজ বাটা ১ কাপ, 
    • কাঁচা মরিচ ৫টি, 
    • রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ, 
    • আদা বাটা ৩ টেবিল চামচ, 
    • ধনে গুঁড়া ২ চা চামচ, 
    • সয়াবিন তেল বা ঘি ১ কাপ, 
    • ঘি ৩ টেবিল চামচ, 
    • দই আধা কাপ, 
    • পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ, 
    • গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ, 
    • কাজু ও পোস্ত বাটা ৩ টেবিল চামচ, 
    • কিশমিশ বাটা ২ টেবিল চামচ, 
    • কেওড়া পানি ১ চা চামচ, 
    • আলু সিদ্ধ ২টি, 
    • ডিম সিদ্ধ ২টি, 
    • কাজু ও পেস্তা কুচি মিলিয়ে একসঙ্গে ৩ টেবিল চামচ, 
    • লবণ পরিমাণমতো।



    প্রণালীঃ 
    • মুরগির ভেতরটা ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন।
    • সিদ্ধ ডিম ও আলু সামান্য লবণ দিয়ে ভেজে নিন।
    • এবার ডিম ও আলু মুরগির পেটের ভেতর ঢুকিয়ে হাত, পা ও পেট ভালো করে সেলাই করে হালকা ভেজে নিন।
    • ওই তেলে সব মসলা কষিয়ে নিন।
    • মসলা কষানো হলে মুরগি দিন। অল্প অল্প করে দই দিন। মাখা মাখা হয়ে এলে কাজু ও পেস্তা কুচি, পেঁয়াজ বেরেস্তা, কাঁচা মরিচ ও কেওড়া দিয়ে নামিয়ে নিন

    আপনার ছেলে মেয়েরা হয়তো আপনাকে অনেক জ্বালাতন করে সন্ধ্যায় স্পেশাল কিছু নাস্তা খাওয়ার জন্য তাই না? হয়তো বা আপনার ছেলে মেয়েরা আপনার কাছে আপদার করে যে মা চল না বাহিরে গিয়ে ফাস্ট ফুড খেয়ে আসি। এমনেই তো হয় আজকাল তাই না? আপনার হাতে যদি অল্প কিছু সময় থাকে তাহলে এখনেই দেখে নিন এই রেসিপি আর বিকালে তৈরি করে ফেলুল আপনার ফ্রিজের কোনে পরে থাকা চিকেন দিয়ে এই মজাদার সুস্বাদু চিকেন কাবাব।

    উপকরনঃ 

    • মুরগির মাংসের কিমা ২ কাপ, 
    • কাঁচা মরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ, 
    • রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, 
    • আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, 
    • সয়াবিন তেল ১ কাপের চার ভাগের এক ভাগ, 
    • টকদই ৪ টেবিল চামচ, 
    • পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ,
    • কাজু কুচি ১ টেবিল চামচ, 
    • পেস্তা কুচি ১ টেবিল চামচ, 
    • কিশমিশ কুচি ১ টেবিল চামচ, 
    • জিরা, ধনে, গরম মসলা একসঙ্গে টালা গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, 
    • টোস্টের গুঁড়া পরিমাণমতো, 
    • ডিমের সাদা অংশ ৩টি, 
    • লবণ পরিমাণমতো।


    প্রণালীঃ 
    • মুরগির মাংসের কিমার সঙ্গে টোস্টের গুঁড়া, ডিমের সাদা অংশ ও সয়াবিন তেল ছাড়া সব উপকরণ মেখে চপের আকারে গড়ে নিন।
    • ডিমের মধ্যে চুবিয়ে টোস্টের গুঁড়ায় গড়িয়ে ডুবো তেলে বাদামি করে ভেজে নিন।

    বর্তমানে তো সবার প্রিয় খাবারের লিষ্টে থাকা প্রথম খাবারেই তৈরি হয় মুরগী মাংস দিয়ে। সব ফাস্ট ফুড দোকানে কিংবা কোন ক্যাফেতে বড় বড় রেস্ট্রুরেন্টে খাবারের মেনুর প্রথম আইটেম থাকে চিকেন এর তৈরি। যাক আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো সহজ ও সুস্বাধু একটি মজার রেসিপি "চিকেন চাইনিজ সিজলিং"।

    উপকরনঃ 

    • হাড় ছাড়া মুরগির মাংস ৫০০ গ্রাম, 
    • ভাঁজ খোলা পেঁয়াজ ১ কাপ, 
    • মাখন ৩ টেবিল চামচ, 
    • কাঁচা মরিচ ৩টি, 
    • রসুন কুচি ৩ টেবিল চামচ,
    • আদা কুচি ২ টেবিল চামচ, 
    • ময়দা ৪ টেবিল চামচ, 
    • ডিমের সাদা অংশ ২টি, 
    • সয়াবিন তেল আধা কাপ, 
    • সিজলিং ডিশ ১টি, 
    • টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, 
    • চিলি সস ৩ টেবিল চামচ,
    • লবণ পরিমাণমতো।


    প্রণালীঃ 

    • মুরগির মাংস আঙুলের মতো লম্বা করে কেটে নিন। মাংসের সঙ্গে লবণ, ডিমের সাদা অংশ ও ময়দা একসঙ্গে মেখে ডুবো তেলে ভেজে নিন।
    • কড়াইয়ে অল্প তেল দিয়ে রসুন কুচি ভেজে পেঁয়াজ ও মাংস দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে লবণ, কাঁচা মরিচ, টমেটো সস ও চিলি সস দিয়ে নামিয়ে নিন।
    • সিজলিং ডিশ গ্যাসের চুলায় ৩০ মিনিট গরম করুন। চুলা থেকে নামিয়ে বাটার ব্রাশ করে মাংসের মিশ্রণ ঢেলে পরিবেশন করুন।

    চিকেন ফ্রাই হোক কিংবা মুচমুচে স্প্রিং রোল, সুইট চিলি সসটা কিন্তু এক্ষেত্রে সবার দারুণ পছন্দ। টক-ঝাল  মিষ্টি স্বাদের এই চিলি সস মেলে কেবল ভাল রেস্তরাঁয়, কিংবা বোতলজাতগুলো কিনে থাকি আমরা। কিন্তু জানেন কি, মজাদার এই সস তৈরি করা যায় খুব সহজেই। উপকরণ লাগবে হাতে গোণা কয়েকটা, সময় লাগবে মাত্র ১০ মিনিট, আর একবার তৈরি করে সংরক্ষণ করতে পারবেন বহুদিন। আর খরচ? এত সামান্য যে অবাক হয়ে যাবেন নিজেই!

    উপকরণ
    • ·        সাদা ভিনেগার/সিরকা- ১/৪ কাপ
    • ·        পানি- প্রয়োজন মত
    • ·        পাকা লাল মরিচ(শুকনো মরিচ নয়, পাকা লাল মরিচ)- ৪-৬ টি
    • ·        রসুন- ২ কোয়া (খেতে না চাইলে বাদ দিন)
    • ·        চিনি- ১/২ কাপ
    • ·        লবন – ১/২ চামচ
    • ·        কর্ণ ফ্লাওয়ার- ২ টেবিল চামচ (সস কম ঘন চাইলে কম দিতে হবে)


    প্রনালী
    • ·        সিরকার সাথে পানি মিশিয়ে ১/৪ কাপ সিরকাকে ১ কাপ করতে হবে। তারপর চিনি মিশিয়ে চুলায় আঁচে দিতে হবে।
    • ·        রসুন মিহি কুচি করে নিতে হবে, যত ছোট সম্ভব। মরিচকেও মিহি কুচি করে নিতে হবে। চাইলে বীজ ফেলে দেয়া যায়। রাখলেও কোন সমস্যা নেই।
    • ·        রসুন ও মরিচ কুচি দিয়ে দিতে হবে সিরকার মিশ্রণে। ভালো করে জ্বাল দিতে হবে।
    • ·        লবন দিতে হবে।
    • ·        ৩/৪ মিনিটের মাঝেই রসুন নরম হয়ে যাবে ও সুন্দর গন্ধ ছড়াবে। এবার পানিতে কর্ণ ফ্লাওয়ার গুলিয়ে এই মিশ্রণে মিশিয়ে দিতে হবে।
    • ·        নেড়ে নেড়ে জ্বাল দিতে হবে। সস পছন্দমতন ঘন হলে নামিয়ে নিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে।
    • ·        এবার বয়ামে ভরে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন। ভালো থাকবে অনেক দিন। আর পছন্দের সকল খাবারে ব্যবহার করুন দারুণ স্বাদের সুইট চিলি সস।


    আর  ক’দিন বাদেই পহেলা বৈশাখ। এবারের বৈশাখ এ মেনু তে রাখতে পারেন এমন কিছু সাধারণ আইটেম !এই খাবারগুলোর মাঝে প্রতিদিন আমরা কোনো না কোনো আইটেম খেয়ে থাকি , বৈশাখ মানে শুধু পান্তা ইলিশ মাছ নয় , বৈশাখের খাবারগুলোতে আপামর গ্রামবাংলার খুব সাধারণ দেখানো খাবারগুলোর অসাধারণ স্বাদ খুঁজে পাওয়া যায় এই ভেবেই রেসিপিগুলো দেয়া। অনেকগুলো ভর্তার আইটেম একসাথে দেয়া সম্ভব নয় বলে পর্ব আকারে দেয়া হল। মজার মজার ভর্তার আইটেম টুকে  রাখতে চোখ রাখুন বাংলার রাঁধুনির পেজে। আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে।

    (১) টুনা মাছের ভর্তা

    প্রনালী
    টুনা মাছের টিন থেকে টুনা ঝুরি করে নিন, অল্প তেলে ভেজে নিন এবার পেয়াজ ,কাচামরিচ, ধনিয়াপাতা কুচি,স্বাদমত লবন আর সরিষার তেল দিয়ে মেখে নিন।

    (২) সবুজ টমেটোর টক

    প্রনালী
    টমেটো হাফ করে কেটে প্যান এ একদম অল্প তেল দিয়ে বশিয়ে দিন।টমেটো নরম হয়ে গলে গেলে বেশি করে গরম পানি দিয়ে জাল এ বশিয়ে দিন।টমেটো গলে ঝোলের সাথে মিশে গেলে লবন স্বাদ মত দিয়ে দিন।  অন্য একটা প্যান এ তেল গরম করে রশুন কুচি আর শুকনা মরিচ দিয়ে টমাটোর ঝোল এ ফোড়ন দিন।ব্যাস হয়ে গেল ইজি টমেটোর টক।

    (৩) কুচি রশুন ভর্তা

    প্রনালী

    পাটায় পিষেও করতে পারেন। রশুন মিহি কুচি করে কেটে নিন ,এবার ওভেনে এই কুচি ১ মিনিট গরম করে নিন ,এখন শুকনা মরিচ টালা ,অল্প মিহি করে কাটা ধনিয়া পাতা কুচি , লবণ আর সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে নিন। ব্যস রেডি !



    রেসিপি - shajgoj.com

    আর  ক’দিন বাদেই পহেলা বৈশাখ। এবারের বৈশাখ এ মেনু তে রাখতে পারেন এমন কিছু সাধারণ আইটেম !এই খাবারগুলোর মাঝে প্রতিদিন আমরা কোনো না কোনো আইটেম খেয়ে থাকি , বৈশাখ মানে শুধু পান্তা ইলিশ মাছ নয় , বৈশাখের খাবারগুলোতে আপামর গ্রামবাংলার খুব সাধারণ দেখানো খাবারগুলোর অসাধারণ স্বাদ খুঁজে পাওয়া যায় এই ভেবেই রেসিপিগুলো দেয়া। অনেকগুলো ভর্তার আইটেম একসাথে দেয়া সম্ভব নয় বলে পর্ব আকারে দেয়া হল। মজার মজার ভর্তার আইটেম টুকে  রাখতে চোখ রাখুন বাংলার রাঁধুনির পেজে। আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে।

    (১) সবুজ সবুজ ঝাল ধনিয়া পাতা ভর্তা

    উপকরণ
    • ·        ধনিয়া পাতা কুচি ২ কাপ
    • ·        রসুন কোয়া ৬ -৭ টি
    • ·        কাচা মরিচ কুচি ( ইচ্ছা মত )
    • ·        লবন স্বাদমত
    • ·        সরিষার তেল ২ চা চামচ

    প্রনালী
    ব্লেন্ডার এ উপরের সব উপকরণ দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। পাটাতেও বাটতে পারেন।  আমি চপার এ করেছি তাই পাতা মিহি হয়েছে কিন্তু পেস্ট হয়নি। এভাবেও অন্য রকম লাগে ট্রাই করে এখতে পারেন। যাই করুন টেস্ট সব ভাবেই একই রকম। ভাতের সাথে পরিবেশন করুন এই ভর্তা।

    (২) রুই মাছের ভর্তা

    উপকরণ
    • ·        রুই মাছের টুকরা
    • ·        হলুদ গুড়া 
    • ·        মরিচ গুড়া
    • ·        পেয়াজ কুচি
    • ·        কাঁচামরিচ কুচি
    • ·        টমেটো কুচি
    • ·        অল্প আদা মিহি কুচি
    • ·        সরিষার তেল
    • ·        স্বাদমত লবণ

    প্রনালী
    উপকরণের পরিমান উল্লেখ করা হয় নি। নিজে আন্দাজ করে দিলেই হবে।  রুই মাছের টুকরা লবণ ,হলুদ গুড়া , মরিচ গুড়া দিয়ে মাখিয়ে তেলে ভেজে নিন। মচমচে করে ভাজবেন । এবার কাটা ছাড়িয়ে নিন। এবার পেয়াজ কুচি , কাঁচামরিচ কুচি , টমেটো কুচি ,অল্প আদা মিহি কুচি , সরিষার তেল, স্বাদমত লবণ দিয়ে মাখিয়ে নিন , গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।


    (৩) ডাল ভর্তা

    উপকরণ
    • ·        ডাল (শুকানো)
    • ·        হলুদের গুড়ো
    • ·        পেয়াজ কুচি
    • ·        শুকনা মরিচ
    • ·        সরিষার তৈল
    • ·        লবণ স্বাদ মত

    প্রনালী

    ডাল অল্প হলুদ আর লবন দিয়ে সিদ্ধ করে নিন , সিদ্ধ হয়ে গলে গেলে পেয়াজ কুচি , শুকনা মরিচ ফাকি আর সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে নিন। আমি বেশির ভাগ সময় ১ দিনের পুরনো কিংবা বাসী ডাল শুকিয়েএই ভর্তা করি। অনেক মজা হয় !



    রেসিপি - shajgoj.com

    আর  দু’দিন বাদেই পহেলা বৈশাখ। এই দিনে ইলিশ খাওয়া হবে না তা তো চিন্তাই করা যায় না!  তাই আজ পহেলা বৈশাখের দিনে পরিবারের সবাইকে নিয়ে খেতে বা বাসায় আসা অতিথিদের আপ্যায়নের জন্যে পারফেক্ট  ইলিশ পোলাও। তবে চলুন দেখে নেয়া যাক  এর পুরো প্রণালী।

    উপকরণ

    • ·        ইলিশের টুকরা ৬ টি
    • ·        কালিজিরা চাল /পোলাও চাল- ৪ কাপ
    • ·        টক মিষ্টি দই ১ কাপ
    • ·        পেয়াজ বাটা এক কাপ
    • ·        রসুন বাটা এক চা চামচ
    • ·        আদা বাটা ১চা চামচ
    • ·        কাচামরিচ বাটা -আধা চা চামচ
    • ·        কাঁচা মরিচ ১০/১২ টি
    • ·        তেজপাতা ১ টি ,এলাচি ২ টি , দারচিনি ১ টি টুকরা গোটাগোলমরিচ ৪/৫ টি
    • ·        তেল এক কাপ
    • ·        পেয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ
    • ·        লবন স্বাদমত
    প্রনালী
     দিয়ে মাখিয়ে রাখুন ১০ মিনিট এইবার চুলায় কড়াই দিয়ে তাতে একে একে তেল, পেয়াজ বাটা, রসুন বাটা,কাচা মরিচ বাটা এবং লবন দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। এবার তার মধ্যে মাছের টুকরোগুলো ছেড়ে দিন। এরপর মাছগুলো এপিট ওপিট করে তার মধ্যে দই আর ৪/৫ টি কাচামরিচ দিয়ে দিন। একটু নেড়ে ( তবে সাবধানে নাড়তে হবে যেন মাছগুলো ভেঙে না যায়) ঢাকনা দিয়ে অল্প আঁচে ৮-১০ মিনিট রান্না করুন। মাছ হয়ে গেলে সাবধানে মাছের টুকরোগুলো তুলে নিন।

    এইবার অন্য একটা পাতিলে তেল দিয়ে গরম মসলা দিন তারপর চাল আর আদার রস দিয়ে চাল টা একটু ভাজুন কড়াইয়ে থাকা ঐ মসলা তাও চাল এর সাথে দিয়ে দিন দিয়ে দিন। চালটা মসলার সাথে ভালোভাবে মেশান এবং পোলাও রান্নার মত পানি দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মধ্যম আঁচে রান্না করুন। পোলাও প্রায় ৯৫ % হয়ে এলে ওপর থেকে কিছু পোলাও তুলে নিন। তারপর মাছগুলো সমান করে বিছিয়ে দিন তার উপরে পেয়াজ বেরেস্তা , কাচামরিচ দিয়ে আর বাকি পোলাও দিয়ে ঢেকে দিন রান্না করা মাছের টুকরোগুলো।  এইবার অল্প আঁচে আরো ১০ মিনিট দমে রান্না করুন। তারপর নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার ও জ্বিভে জল আনা ইলিশ পোলাও।



    রেসিপি - shajgoj.com
    খাবারের নাম শুনে অন্যরকম লাগলেও আজকে আপনাদের সাথে এই রেসিপিটি শেয়ার করব। দারুণ মজার এই আইটেমটি চলতে পারে যেকোনো অকেশনে। আর সামনেই তো বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। এই দিনে গরম পোলাও , ভাত কিংবা খিচুড়ির সাথে পরিবেশন করুন মজাদার বেগুনের রোস্ট । চলুন দেখে নিই এর  পুরো প্রণালী।

    প্রথম ধাপে যা যা লাগবে

    • ·        ১ টা বড় বেগুনের বড় টুকরা
    • ·        জিরা গুরা
    • ·        লবন স্বাদ মত


    বেগুন মোটা পিস করে কেটে নিন ,এবার জিরা গুড়া লবণ দিয়ে মেখে অল্প তেলে ভেজে নিন ,হাল্কা লাল করে এক সাইড এরপর আরেক সাইড লাল করে ভেজে নিন, খুব বেশি ভাজার দরকার নেই।ভেজে একটা পাত্রে উঠিয়ে রাখুন ।

    দ্বিতীয় ধাপে এবার রোস্টের জন্য যা যা লাগবে
    • ·        পেয়াজ কুচি হাফ কাপ
    • ·        আদা বাটা ২ চা চামচ
    • ·        রসুন বাটা ২ চা চামচ
    • ·        টক দই ২ টেবিল চামচ
    • ·        জয়ফল ও জয়েত্রী কিসমিস বাটা ২ চা চামচ
    • ·        পোস্ত দানা বাটা ১ চা চামচ
    • ·        গরম মসলা গুরা ২ চা চামচ
    • ·        এলাচি ৪- ৫ টি
    • ·        দারুচিনি ২ স্টিক
    • ·        বেরেস্তা ১ কাপ
    • ·        ঘি / তেল ৪ টেবিল চামচ
    • ·        লবন পরিমান মত


    যেভাবে তৈরি করবেন
    প্রথমে হাড়িতে ঘি / তেল দিয়ে এলাচি ৪- ৫ টি ,দারুচিনি ২ স্টিক দিন। এরপর দিন পেয়াজ কুচি। লাল করে ভাজা হলে এতে একে একে আদা বাটা, রসুন বাটা, টক দই, জয়ফল ও জয়েত্রী কিসমিস বাটা, পোস্তদানা বাটা, গরম মসলা গুরা আর লবন পরিমান মত দিয়ে মশলা কষে নিন (আমি ভুনা টাইপ করতে চেয়েছি তাই কোন দুধ না পানি দিয়ে ঝোল করিনি )।


    মশলা কষে আসলেই এতে ভাজা বেগুনের পিসগুলো দিয়েসামান্য পানি আর কয়েকটা আস্ত কাচা মরিচ দিয়ে ধিমি আঁচে রান্না করুন ১০ মিনিট।  এবার বেগুনের পিসগুলোর উপর বেরেস্তা ছড়িয়ে দিয়ে ধিমি আঁচে রান্না করুন আরও ১০ মিনিট। ব্যাস রেডি হয়ে গেলে গরম গরম মজাদার বেগুনের রোস্ট।



    রেসিপি - shajgoj.com