ঝটপট তৈরি করা যায় এমন একটি খাবার হলো ফ্রাইড রাইস। যে কোনো সময়ে, যে কোনো মাপের ক্ষুধা কমাতে পারে সুস্বাদু এই খাবার। কিন্তু সাধারণ ফ্রাইড রাইস তৈরি করতেও লাগে ডিম, কেউ কেউ ব্যবহার করেন চিংড়ি বা মাংস। আজ জেনে নিন এমন একটি ঝটপট রেসিপি যাতে দরকার হবে শুধু টমেটো আর অলিভ। চলুন দেখে নিই একদম ভেজিটেরিয়ান রেসিপিটি।
উপকরনঃ
দেড় কাপ ফ্রেশ টমেটো পিউরি
৬/৭টা ব্ল্যাক অলিভ
দেড় কাপ সেদ্ধ করা বাসমতী চালের ভাত
২ চা চামচ অলিভ অয়েল
১ টেবিল চামচ টমেটো কেচাপ
লবণ স্বাদমতো
১ চা চামচ শুকনো মরিচ গুঁড়ো
১ চা চামচ শুকনো অরিগানো
অর্ধেকটা সবুজ ক্যাপসিকাম, চৌকো করে কাটা
৪/৫টা বেসিল পাতা
৮টা লেটুস পাতা
প্রণালীঃ
একটি বড় নন-স্টিক প্যানে অলিভ অয়েল গরম করে নিন। এতে টমেটো পিউরি দিয়ে মিশিয়ে নিন। রান্না হতে দিন ৩-৪ মিনিট।
এতে টমেটো কেচাপ দিন। লবণ, শুকনো মরিচ এবং শুকনো অরিগানো দিন। মিশিয়ে রান্না হতে দিন ১ মিনিট। ক্যাপসিকাম এবং ভাত দিয়ে দিন। মিশিয়ে রান্না হতে দিন আরও কিছুক্ষণ।
ব্ল্যাক অলিভ স্লাইস করে নিন। বেসিল এবং অলিভ স্লাইস দিয়ে দিন রাইসে। ভালো করে মিশিয়ে আঁচ বন্ধ করে দিন।
গরুর মাংস দিয়ে তো তেহারি অনেক খেয়েছেন, এবার মুরগির মাংস দিয়ে ট্রাই করুন পুরান ঢাকার স্টাইলে। পুরান ঢাকার মতোই মুখরোচক ভাবে তৈরি করুন। তাহলে জেনে নিন বিডি রমণীর রেসিপিটি।
মুরগী তৈরির জন্য উপকরনঃ
১ কেজি মুরগি, বড় বড় করে কেটে নেওয়া।
১০টি ছোট আলু।
৩ টেবিল-চামচ আদা ও রসুন বাটা।
২টি বড় পেঁয়াজ।
আধা চা-চামচ মরিচগুঁড়া।
আধা চা-চামচ ধনেগুঁড়া।
স্বাদ মতো লবণ।
আধা কাপ তেল।
৩ টেবিল-চামচ সরিষার তেল।
আস্ত ৩টি এলাচ।
২ টুকরা দারুচিনি।
২টি তেজপাতা।
স্পেশাল গরম মসলা
৪টি এলাচ।
আধা চা-চামচ জায়ফল এবং জয়ত্রী।
আধা চা-চামচ জিরা।
আধা চা-চামচ ধনিয়া।
৭,৮টি গোলমরিচ।
৩টি লবঙ্গ।
আধা চা-চামচ মৌরি।
আধা চা-চামচ শাহিজিরা।
একসঙ্গে গুঁড়া করে নিন।
এটাই স্পেশাল গরম মসলা।
চাউল প্রস্তুত করার জন্য উপকরনঃ
৪ কাপ পোলাওয়ের চাল (কালিজিরা)।
৬ কাপ এবং আরও আধা কাপ গরম পানি।
১টি বড় পেঁয়াজকুচি।
১ টেবিল-চামচ আদাবাটা।
আধা কাপ তেল।
৩ টেবিল-চামচ ঘি।
৩টি এলাচ।
এক টুকরা দারুচিনি।
২টি তেজপাতা।
স্বাদ মতো লবণ।
২০,২৫টি আস্ত কাঁচামরিচ।
প্রণালীঃ
প্রথমেই মুরগি রান্না করে নিতে হবে।
পেঁয়াজ, রসুন, আদা একসঙ্গে বেটে নিন। আলু বাদে মুরগির জন্য রাখা বাকি সব উপকরণ দিয়ে মুরগি মাখিয়ে নিন। এবার ভালো মতো কষিয়ে মুরগি রান্না করুন। পানি দেবেন না।
মাংস সিদ্ধ হয়ে আসলে আলু দিন। সামান্য পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করুন। আলু আধা সিদ্ধ হলে অল্প ঝোল রেখে চুলা বন্ধ করে দিন।
এবার আলাদা বড় হাঁড়িতে তেল ও ঘি দিয়ে পেঁয়াজ ভাজতে থাকুন। আস্ত গরম মসলাগুলো দিয়ে দিন। পেঁয়াজ হালকা বাদামি হয়ে আসলে আদাবাটা দিন।
জিভে জল আনা অত্যন্ত লোভনীয় চেহারার তেহারিটা দেখেই কি পারফেক্ট মনে হচ্ছে না? একেকজন একেকভাবে তেহারি রান্না করেন। তবে হ্যাঁ, অনেকেরই তেহারিতে পারফেক্ট স্বাদটা আসে না। অনেকে আবার অনুসরণ করেন খুবই জটিল রেসিপি। চলুন, আজ জেনে নি আপনার মনের মত পারফেক্ট স্বাদের তেহারি রান্না করার একটি দারুণ সহজ রেসিপি। একদম নতুন রাঁধুনিদেরও এই রেসিপি দেখে রাঁধলে খাবারটি হবে দারুণ সুস্বাদু।
উপকরনঃ
গরুর মাংস ১ কেজি,
দই (টক+মিস্টি বা যে কোনো টা) ৫ টে চামচ,
পেঁয়াজ কুচি দেড় কাপ,
আদা বাটা ৩ টেবিল চামচ,
রসুন বাটা ৩ টেবিল চামচ,
পেঁয়াজ বাটা ১ কাপ,
কাঁচা মরিচ বাটা ১ টে চামচ,
সরিষা বাটা ১ টে চামচ,
কাঁচা পেঁপে বাটা ১ টে চামচ,
মরিচ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ,
ধনে গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ,
জিরা গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ,
কালো গোলমরিচ গুঁড়ো আধা চা চামচ,
তেজপাতা ২টি,
দারচিনি ২ সেমি ৫ টুকরো,
এলাচ ৫টি,
লবঙ্গ ৪টি,
কাঁচামরিচ ১৫ টি মাঝে চিরে নেয়া,
সরিষার তেল ১ কাপ,
সয়াবিন তেল হাফ কাপ,
পোলাওয়ের চাল ১ কেজি,
আলু চৌকো করে কাটা ও ভেজে নেয়া (২ কাপ),
লবণ ১ চা চামচ মাংসের জন্য + ১ চা চামচ পোলাও এর জন্য
গরম পানি ১০ কাপ
প্রণালীঃ
মাংস ছোট টুকরো করে ধুয়ে নিন। ২ টে চামচ করে আদা-রসুন বাটা সহ সমস্ত বাটা ও গুঁড়ো মসলা অর্ধেকটা সরিষার তেল, পুরোটা সয়াবিন তেল এবং দই, লবণ দিয়ে মাংস মাখিয়ে রাখুন। খুব ভালো হয় মাখিয়ে সারা রাত ফ্রিজে রেখে দিতে পারলে।
একটা বড় হাঁড়িতে তেল গরম করে অর্ধেকটা করে পেঁয়াজ তেজপাতা ও গরম মসলা সামান্য ভেজে মাংস, লবণ দিন। মাংস কষিয়ে ভুনা করুন।
মাংস কষানো হলে অর্ধেকটা গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন যেন মাংস সিদ্ধ হওয়ার পরও বেশ খানিকটা ঝোল থাকে। ঝোল টেনে এলে বাকি অধের্কটা পানি দিন। এ সময় অল্প তেলে আলু ভেজে সেটাও রেডি রাখুন।
মাংস সিদ্ধ হয়ে এলে আলু ও ঝোলে দিয়ে দিন এবং মোটামুটি সিদ্ধ করে নিন।
এবার পোলাও এর জন্য প্যানে বাকি সরিষার তেল এ পেঁয়াজ কুচি ও বাকি আদা রসুন বাটা ও গরম মসলা দিয়ে কষিয়ে নিন।চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে মসলায় দিন। ২-৩ মিনিট ভাজুন।
গন্ধ ছড়ালে রান্না করা মাংস ঝোল সহ চালের ওপর ঢেলে মিশিয়ে দিন। ঝোলের পানিতেই পোলাও রান্না হয়ে যাবে। লবণ দিন। চাল ফুটে গেলে নিচে তাওয়া দিয়ে দমে দিয়ে দিন এবং ওপরে কাঁচামরিচ দিয়ে ঢেকে মৃদু আঁচে ২০ মিনিট রাখুন। চুলা থেকে নামিয়ে রাখুন। ২০-২৫ মিনিট পর ঢাকনা খুলবেন।