WHAT'S NEW?
Loading...

পুরো ঢাকা তো বটেই, বরং পুরো দেশেই সমাদৃত ‘ঢাকাইয়া’ রান্না। পুরান ঢাকার বনেদী রেসিপিতে তৈরি খাবারগুলোর মাঝে এখনো আছে সেই সাবেকী স্বাদ। এই স্বাদের টানে অনেকেই পুরান ঢাকা এলাকায় খেতে যান বছরের বিভিন্ন সময়ে। কিন্তু কিছু কিছু ঢাকাইয়া খাবার আপনি বাড়িতেই তৈরি করতে পারেন। তার জন্য জেনে রাখা দরকার তাদের রান্নার মতো একই স্বাদ-গন্ধ নিয়ে আসার কিছু নিয়ম। মুক্তি আফরোজের রেসিপিতে আজ দেখে নিন একদম নিখুঁত ঢাকাইয়া তেহারি রান্নার রেসিপিটি। 

উপকরণ:
    • মাংস - ১ কেজি
    • আদা বাটা - ১ টেবিল চামচ
    • রসুন বাটা - ১ টেবিল চামচ
    • টক দই - ১/৩ কাপ
    • মরিচ গুঁড়ো - ১ টেবিল চামচ
    • জিরা গুঁড়ো - ২ চা চামচ
    • গরম মসলা গুঁড়ো - ১ চা চামচ
    • তেল - ১ কাপ (সয়াবিন এবং সরিষার তেল মিলিয়ে)
    • পিঁয়াজ কুচি - ১ কাপ
    • লবণ স্বাদ মত

    পোলাও সেদ্ধ করার জন্য:
    • চাল - ৩ কাপ
    • পানি - ৫ কাপ
    • দুধ - ১ কাপ
    • কেওড়া জল - ১ টেবিল চামচ
    • লবণ স্বাদ মত
    • কিছু আস্ত গরম মশলা
    • ৮-১০টি কাঁচামরিচ

    স্পেশাল মশলার জন্য:
    • দারুচিনি - ছোট ৩ টুকরো
    • জয়ত্রী - ছোট ৩ টুকরো
    • এলাচ - ৭/৮ টা
    • জয়ফল - ১/২ টা

      প্রণালী:
      • প্রথমেই স্পেশাল মশলাটা তৈরি করে নিন। দারুচিনি, জয়ত্রী, এলাচ এবং জয়ফল একসাথে একটি ব্লেন্ডারে গুঁড়ো করে নিন। এগুলো ভাজার কোনো দরকার নেই। 
      • এবার গরুর মাংস নিন একটি পাত্রে। এর সাথে স্পেশাল মশলা, আদা-রসুন বাটা, টক দই, মরিচ, জিরা গুঁড়ো, গরম মশলা গুঁড়ো এবং লবণ দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন। আপনার হাতে সময় থাকলে কিছুক্ষণ ম্যারিনেট করে রাখতে পারেন। নয়তো ম্যারিনেট না করেও রান্না করতে পারেন। 
      • একটি প্যানে তেল গরম করে নিন। এই রেসিপিতে এক কাপের তিন ভাগের দুই ভাগ সয়াবিন তেল এবং এক ভাগ সরিষার তেল ব্যবহার করা হয়েছে। আপনি চাইলে পুরোটাই সয়াবিন তেল বা সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন। 
      • এই তেলে পিঁয়াজটাকে একটু বাদামি করে ভেজে নিন। এরপর এতে মাংসটা দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে ভুনে নিন মাঝারি আঁচে। এরপর ঢাকনা চাপা দিয়ে মাংসটা রান্না হতে দিন ১০-১২ মিনিট। এ সময়ের মাঝে মাংস থেকে পানি বের হয়ে আসবে।
      • ১০ মিনিট পর মাংসটা একটু নেড়ে দিন। এবার চুলার আঁচ কমিয়ে দিয়ে আবার ঢাকা দিয়ে রান্না করুন যতক্ষণ না মাংস সিদ্ধ হয় এবং পানি টেনে আসে। চেষ্টা করবেন এই পানিতেই মাংস সেদ্ধ করবার। অতিরিক্ত পানি না দেওয়াই ভালো। মাঝে মাঝে একটু নেড়ে দেবেন। পানি শুকিয়ে মাংস থেকে তেল ছেড়ে দিলে চুলা বন্ধ করে দেবেন। 
      • ফ্রাইপ্যান বা হাঁড়িটাকে একটু কাত করে রাখুন যাতে একদিকে তেল জমা হয়। এই তেলটুকু উঠিয়ে রাখুন, এটা দিয়েই পোলাও রান্না হবে। 
      • পোলাও রান্নার জন্য একটু বড়, ছড়ানো পাত্র ব্যবহার করুন। এতে দিয়ে দিন মাংস থেকে ওঠানো তেল। এই তেলে কয়েক মিনিট একটু ভেজে নিন চালটাকে। এরপর এতে দিন আস্ত গরম মশলা এবং গরম পানি। এরপর দিন দুধ। আপনি যদি পাউডার মিল্ক ব্যবহার করতে চান তাহলে ছয় কাপ পানির সাথে ২-৩ টেবিল চামচ ছড়িয়ে দিতে পারেন। এতে দিন কাঁচামরিচ এবং কেওড়া জল। মনে হতে পারে এত কাঁচামরিচে ঝাল হবে বেশি। আসলে কিন্তু ঝাল তেমন হবে না। বরং ঢাকাইয়া তেহারির মন ভোলানো ফ্লেভার আনার জন্যই এটা জরুরী। 
      • চালের থেকে পানি বেশ কিছুটা শুকিয়ে এলে এতে মাংসটা দিয়ে দিন এবং নেড়ে মিশিয়ে নিন।  এরপর তা ঢাকা দিয়ে খুব কম আঁচে রাখুন ১০ মিনিট। ১০ মিনিট পর একটু নেড়ে ওপরের চাল নিচের দিকে দিয়ে দিন। আবার দমে রাখুন ৬-৭ মিনিট। এরপর চুলা বন্ধ করে দিন।
      • তৈরি হয়ে গেল ঝরঝরে, মুখরোচক ঢাকাইয়া তেহারি। পরিবেশন করুন গরম গরম।
      পুরো রেসিপিটি ভিডিওতে দেখুন! 


      Source: Priyo.com

      বোরহানিকে খুব মিস করছেন, কিন্তু সামনে কোনো বিয়ের দাওয়ার নেই তাই বোরহানি পান করতেও পারছেন না। কেনা বোরহানিতে বিয়ে বাড়ির মতো স্বাদটা পাওয়া যায় না মোটেই। তাই বলে কি অপেক্ষা করে থাকবেন বিয়ের দাওয়াতের জন্য? একদমই না! বিয়ে বাড়ির বোরহানি আপনার নিজের হেঁশেলেই আনতে পারবেন মুক্তি আফরোজের এই দারুণ রেসিপিটিতে।

      রাঁধুনি হিসেবে মুক্তি আফরোজের খ্যাতি মূলত ইউটিউবে। ২৫ হাজারেরও বেশি সাবস্ক্রাইবার রয়েছে তার কুকিং চ্যানেলটিতে। দেশী বিদেশি বিভিন্ন রান্নার রেসিপি আছে এখানে। মূলত কম ঝামেলায় এবং কম উপকরণেই দারুণ স্বাদ পাওয়া যায় এমন সব রেসিপিই তিনি পছন্দ করেন। পেশায় তিনি গৃহিণী, আর হরেক রকমের রান্নার পেছনে অনুপ্রেরণার জায়গাটা তার পুত্রসন্তানের। তার জন্য রান্না করতে গিয়েই মুলত তার রান্নাবান্নার শুরু। শর্টকাটে বিভিন্ন এক্সক্লুসিভ খাবার ঘরে তৈরি করতেও তিনি পছন্দ করেন। চলুন দেখে নিই তার বোরহানির রেসিপিটি-
      উপকরণ:
      • দেড় কাপ টকদই (পানি ঝরানো)
      • এক চা চামচ ভাজা জিরা গুঁড়া
      • হাফ চা চামচ সাদা গোলমরিচ গুঁড়ো
      • হাফ চা চামচ আদা বাটা
      • এক চা চামচ সাদা সরিষা বাটা
      • এক চা চামচ ধনেপাতা বাটা
      • এক চা চামচ পুদিনা পাতা বাটা
      • এক চা চামচ কাঁচামরিচ বাটা
      • সিকি চা চামচ বিট লবণ
      • দুই টেবিল চামচ চিনি
      •  সামান্য লবণ 
      • এক কাপের তিনভাগের এক ভাগ পানি
      • ১৬-২০টি ধনেপাতার কান্ড
       
      প্রণালী:
      • প্প্রথম টকদইটাকে ঘন করে নিতে হবে। এর জন্য একটা সুতি কাপড়ে বেঁধে কিছুক্ষণ ঝুলিয়ে রাখতে হবে যাতে পানি ঝরে যায়। 
      • এবার একটি পাত্রে টকদইটাকে নিন। এতে যোগ করুন ভাজা জিরা গুঁড়ো, সাদা গোলমরিচ গুঁড়ো, আদা বাটা, সরিষা বাটা, ধনেপাতা বাটা, পুদিনা পাতা বাটা, কাঁচামরিচ বাটা এবং বিট লবণ। এতে দুই চা চামচ চিনি এবং লবণ যোগ করুন। চিনি ও লবণ নিজের স্বাদমতোও যোগ করতে পারেন।
      • এক্ষেত্রে আপনার মনে রাখতে হবে যে, এই রেসিপিতে যেসব উপকরণ বাটা ব্যবহার হচ্ছে, সেগুলো খুবই মিহি করে বাটতে হবে।
      • একটি ডাল ঘুঁটনি বা হ্যান্ড হুইস্ক দিয়ে সবকিছু খুব ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। ব্লেন্ডারও ব্যবহার করতে পারেন।
      • দইয়ের সাথে সব মশলা ভালো করে মিশে গেলে এরপর এতে পানি যোগ করুন। পানি ভালোভাবে মিশে গেলে এবার ফ্রিজে রাখতে পারেন।
      • ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন বিয়েবাড়ির মতোই ঘন বোরহানি।
      পুরো রেসিপিটি ভিডিওতে দেখুন! 


      Source: Priyo.com

      মুখরোচক থাই খাবার বরাবরই পছন্দ বাঙালীদের। বিশেষ করে রাইসের সাথে মশলাদার থাই কারি। মজাদার এই খাবারটি আরেকটি ধরণ নিয়ে এলাম আপনাদের জন্য। থাই কারি রাইসের মজাটা পাবেন রাইস বলসের ভেতরে। এটা তৈরি করাটাও বেশ সহজ। চলুন দেখে নিই রেসিপিটি।

      উপকরণ:

      থাই গ্রিন পেস্টের জন্য
      • ১৬-২০টি ধনেপাতার কান্ড
      • ২টি কাঁচামরিচ
      • ১ ইঞ্চি লেমন গ্রাস
      • আধা চা চামচ আদা গুঁড়ো
      •  আধা চা চামচ ধনে
      • পৌনে এক চা চামচ জিরা
      • ২ টেবিল চামচ টাটকা ধনেপাতা
      • লবণ স্বাদমতো
       
      নারিকেলের পিউরির জন্য
      • ১৬-২০টি বেসিল পাতা
      • আধা কাপ নারিকেলের দুধ 
      রাইস বলের জন্য
      • ১ কাপ রান্না করে রাখা জেসমিন রাইস
      • আধা কাপ নারিকেলের দুধ
      • সিকি কাপ সয়া চাঙ্ক
      • আধা চা চামচ চিনি
      • এক টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচি
      • এক টেবিল চামচ বেবি কর্ন কুচি
      • ২ টেবিল চামচ জুকিনি কুচি
      • ১ টেবিল চামচ লাল ক্যাপসিকাম কুচি
      • ব্রেডক্রাম্বস প্রয়োজনমত
      • কয়েক চামচ ময়দা
      • ভাজার জন্য তেল

        প্রণালী:
        • প্রথমে থাই গ্রিন পেস্ট তৈরি করে নিন। 
        • সবগুলো উপকরণ একত্রে মিক্সারে দিয়ে পেস্ট করে নিন।
        • একইভাবে নারিকেলের দুধ ও বেসিল পাতা দিয়ে পিউরি তৈরি করে নিন।
        • একটি ফ্রাইপ্যানে আধা কাপ নারিকেলের দুধ গরম করে নিন। 
        • এতে প্রথমে থাই গ্রিন পেস্ট দিয়ে মিশিয়ে নিন। 
        • এরপর এতে নারিকেল-বেসিল পিউরি দিয়ে মিশিয়ে নিন। 
        • দরকার হলে অল্প করে লবণ দিন। 
        • ফুটে এলে এতে সয়া চাঙ্ক দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে রান্না করুন। 
        • সয়া চাঙ্ক আধা সেদ্ধ হয়ে এলে এতে সবজিগুলো দিয়ে দিন। 
        • নেড়েচেড়ে মিশিয়ে নিন সবগুলো। 
        • সয়া চাঙ্ক এবং সবজি সেদ্ধ হয়ে এলে নামিয়ে নিন।
        • এই সবজির সস ঢেলে দিন জেসমিন রাইসের ওপর। 
        • মিশিয়ে নিন ভালো করে। 
        • এরপর এই মিশ্রণ কিছুক্ষণ ফ্রিজে রাখুন যাতে বল তৈরি করতে সুবিধা হয়।
        পুরো রেসিপিটি ভিডিওতে দেখুন! 


        Source: Priyo.com

        বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সারের নিরাময় পদ্ধতি বিভিন্ন ধরণের। স্তন্য ক্যান্সার হচ্ছে সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ক্যান্সার যা নিরাময় করাটা কঠিন। ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন এবং এপিডারমাল গ্রোথ ফ্যাক্টর রিসেপ্টর ২ (HER2) এই ৩ টি উপাদানের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির উপর ভিত্তি করে ব্রেস্ট ক্যান্সারকে শ্রেণী বিভক্ত করা হয়। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, গবেষকেরা স্তন্য ক্যান্সার নিরাময়ের প্রাকৃতিক উপাদান খুঁজে পেয়েছেন। আর সেই ঘরোয়া উপাদানটি হচ্ছে কাঁচামরিচ।

        এছাড়াও কাঁচামরিচে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এবং এতে রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান ও বিদ্যমান। কাঁচামরিচ ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং আয়রন এ সমৃদ্ধ। ফ্রি র‍্যাডিকেলের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করে কাঁচামরিচ। কাঁচামরিচের ক্যান্সার নিরাময়ে সাহায্য করে যেভাবে :

        টিআরপি চ্যানেল
        ক্যাপসাইসিন নামক সক্রিয় উপাদান থাকে কাঁচামরিচে যা ক্যান্সার কোষের উপর প্রভাব সৃষ্টি করে। গবেষণামতে বিভিন্ন সম্ভাব্য অস্থায়ী রিসেপ্টর (TRP)  চ্যানেলের প্রভাব ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধির উপর পড়ে। টিআরপি চ্যানেলগুলোকে ঝিল্লিময় আয়ন চ্যানেলের উদ্দীপনার দ্বারা প্রভাবিত করা যেতে পারে।

        ক্যাপসাইসিন এর প্রভাব
        ক্যাপসাইসিন কোষের মৃত্যুর উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে এবং ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিকে প্রতিহত করতে পারে। এটা শুধু ব্রেস্ট ক্যান্সারই নয় কোলন ক্যান্সার ও অগ্ন্যাশয় ক্যান্সার নিরাময়েও সাহায্য করতে পারে। 

        অলফ্যাক্টরি রিসেপ্টর
        এটি এমন এক ধরণের প্রোটিন যা ছোট অণুগুলোকে একসাথে আবদ্ধ করতে পারে। এটি ক্যাপসাইসিনের দ্বারাই সক্রিয় হয়। গবেষণায় এটা জানা গেছে যে, টিআরপি চ্যানেল সক্রিয় হওয়ার পরে ক্যান্সার কোষ এবং অনেক বেশি সংখ্যক টিউমার কোষ ও মারা যায়।

        ব্রেস্ট ক্যান্সার
        চূড়ান্তভাবে গবেষণা শেষে এটাই বলা হয় যে, খাবারের মাধ্যমে বা শ্বাসের মাধ্যমে ক্যাপসাইসিন গ্রহণ করাই ক্যান্সার কোষ নিরাময়ের জন্য যথেষ্ট।

        Source: Priyo.com

        অনেকেই মনে করেন পনির দিয়ে তেমন কোন খাবার রান্না করা সম্ভব নয়। অথচ এই খাবারটি দিয়ে তৈরি করা সম্ভব মজার মজার সব খাবার। টিক্কা মাসালা খাবারটির নাম শুনলে চোখে ভেসে উঠে চিকেন কিংবা মাটন টিক্কা মাসালার ছবি। পনির দিয়েও টিক্কা মাসালা তৈরি করা সম্ভব। এটি স্বাদে, গন্ধে চিকেন টিক্কা থেকে কিছু কম নয়। আসুন তাহলে পনির টিক্কা মাসালার রেসিপিটি জেনে নেওয়া যাক।

        উপকরণ:
        • ২৫০ গ্রাম পনির
        • ১ টি বড় লাল ক্যাপসিকাম
        • ১টি বড় হলুদ ক্যাপসিকাম
        • ১টি বড় সবুজ ক্যাপসিকাম
        • ১টি বড় পেঁয়াজ
        • ২০০ গ্রাম টকদই
        • ১ চা চামচ আদা রসুনের পেস্ট
        • ১/৪ চা চামচ মৌরি
        • ২ চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়ো
        • ১/২ হলুদ গুঁড়ো
        • ১/২ চা চামচ চাট মশলা
        • ১/২ টা লেবুর রস
        • ১ টেবিল চামচ সরিষা তেল
        • ১ টেবিল চামচ মাখন
        • লবণ

        সাজানোর জন্য

        • পুদিনা পাতা
        • পেঁয়াজের টুকরো
        • লেবুর টুকরো

        প্রণালী:

        • পনিরকে ডাইস আকৃতিতে কেটে নিন।
        • একটি পাত্রে টকদই, মরিচ গুঁড়ো, চ্যাট মশলা, লবন, সরিষা তেল, হলুদ গুঁড়ো, মৌরি, আদা রসুনের পেস্ট এবং লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে নিন।
        • এবার মশলার এই পেস্টে পেঁয়াজের টুকরো, ক্যাপসিকামের টুকরো এবং পনিরের টুকরো দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে ১৫ মিনিট মেরিনেইট করার জন্য রাখুন।
        • একটি কাবাব শিকে প্রথমে ক্যাপসিকামের টুকরো, তারপর পনিরের টুকরো, এরপর ক্যাপসিকামের টুকরো এবং সবশেষে পনির দিয়ে দিন।
        • একটি নন-স্টিক প্যানে তেল গরম করতে দিন। এতে শিকগুলো দিয়ে দিন।
        • রান্না করতে থাকুন যতক্ষণ পর্যন্ত না ভালভাবে রান্না হয়। পনিরের উপর মাঝে মাঝে মাখন ব্রাশ করুন।
        • দুই পাশ বাদামী রং হয়ে আসলে নামিয়ে ফেলুন।
        • ব্যস তৈরি হয়ে গেল মজাদার পনির টিক্কা মাসালা।

        নিচের ভিডিওতে পুরো রেসিপিটি দেখে নিনঃ

        Source: Priyo.com
         

        মাংস খেতে খেতে বিরক্ত চলে এসেছে নিশ্চয়। স্বাদ বদলাতে অনেকেই সবজি, মাছ রান্না করছেন। প্রতিদিন একই ধরণের সবজি খেতে কার ভাল লাগে বলুন? সবজি রান্নাটি একটু ভিন্নভাবে করা গেলে দারুন হয়, তাই না? প্রতিদিনকার সবজি রান্না করুন একটু ভিন্নভাবে রেস্টুরেন্ট স্টাইলে।

        উপকরণ:

        গ্রেভির জন্য
        • ৩টি বড় টমেটো
        • ২টি মাঝারি আকারে পেঁয়াজ
        • ২ টেবিল চামচ কাজুবাদাম
        • ১-১/২ টেবিল চামচ তেল
         
        সবজির জন্য
        • ১/৪ কাপ আলু কুচি
        • ১/৪ কাপ গাজর কুচি
        • ১/৪ কাপ ফুলকপি
        • ১/৪ কাপ বিনস
        • ১/৪ কাপ মটরশুঁটি
        • ১/৪ কাপ ক্যাপসিকাম কুচি
        • ১/৪ কাপ পনির কুচি
        • ২-৩ টেবিল চামচ মাখ
        • ২-৩ টেবিল চামচ ক্রিম
        • ধনেপাতা কুচি
        • লবণ স্বাদমত
        • ১-১/২ টেবিল চামচ কাশ্মেরী লাল মরিচ গুঁড়ো
        • ১ চা চামচ ধনিয়া গুঁড়ো
        • ১ চা চামচ জিরা গুঁড়ো
        • ১/২ চা চামচ গরম মশলা গুঁড়ো
        • ১/২ চা চামচ কাসরি মেথি
        • ১/২ চা চামচ আদা রসুন পেস্ট
        • ৩-৫ টেবিল চামচ তেল
        • ১টি ভাজা পাঁপড় (ইচ্ছা)

        প্রণালী:
        • গ্রেভির জন্য প্রথমে প্যানে তেল গরম করতে দিন।
        • এরপর এতে টমেটো কুচি, কাজুবাদাম এবং পেঁয়াজ কুচি দিয়ে মঝারি আঁচে নাড়ুন।
        • টমেটো নরম হয়ে এলে এতে পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন।
        • এখন আরেকটি প্যানে তেল গরম করতে দিন। এতে আলু কুচি, গাজর কুচি দিয়ে ভাজুন। ভাজা হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন।
        • আবার ফুলকুপি, বিনস, এবং পনির দিয়ে ভেজে নামিয়ে ফেলুন।
        • এখন বাকি তেলের সাথে মাখন দিয়ে দিন। মাখন গলে গেলে আদা রসূনের পেস্ট দিয়ে নাড়ুন।
        • এরপর এতে টমেটো পেস্ট, লবণ, লাল মরিচ গুঁড়ো দিয়ে ভাল করে নাড়ুন।
        • বলক না আসা পর্যন্ত এটি নাড়তে থাকুন।
        • গ্রেভি রান্না হয়ে গেলে এতে মটরশুঁটি, ক্যাপসিকাম কুচি দিয়ে ২-৩ মিনিট নাড়ুন।
        • তারপর এতে ভাজা সবজিগুলো দিয়ে দিন।
        • ধনিয়া গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, গরম মশলা গুঁড়ো, কাসরি মেথি দিয়ে দিন।
        • এবার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ৫ মিনিট রান্না করুন।
        • শেষে ক্রিম, ধনে পাতা কুচি দিয়ে দিন।
        • চুলা থেকে নামানোর আগে ভাজা পাঁপড় গুঁড়ো করে দিয়ে মিশিয়ে নিন।
        • ব্যস তৈরি হয়ে গেল মজাদার রেস্টুরেন্ট স্টাইল মিক্স ভেজি সবজি!
        পুরো রেসিপিটি ভিডিওতে দেখুন! 


        Source: Priyo.com
         

        আচার নামটি শুনলেই জিভে পানি চলে আসে। আমের আচার, জলপাইয়ের আচার অথবা বরই আচার নানা রকম আচার তৈরি করা হয়। অনেকে সবজি আচার তৈরি করে থাকেন। বেগুনের আচার তৈরি করেছেন কখনও? বেগুন দিয়ে মজাদার আচার তৈরি করা সম্ভব। ভাবছেন কীভাবে? আসুন তাহলে জেনে নিন রেসিপিটি।

        উপকরণ:
        ২৫০ গ্রাম বেগুন পাতলা করে কাটা
        ২ টেবিল চামচ সরিষা বীচি
        ভিনেগার
        ১ কাপ সরিষা তেল
        ৪টি কাঁচা মরিচ
        ৮ কোয়া রসুনের কোয়া
        ১ চা চামচ গোল মরিচের গুঁড়ো
        ১/২ চা চামচ হলুদের গুঁড়ো
        ১ চা চামচ জিরা গুঁড়ো
        ২ চা চামচ মরিচের গুঁড়ো
        এক কাপ ভিনেগার

        প্রণালী:
        ১। বেগুন পাতলা করে কেটে লবণ পানির মধ্যে এক ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন।
        ২। এক ঘন্টা পর বেগুন থেকে পানি ঝরিয়ে নিন। এর সাথে সরিয়া বীচি এবং ভিনেগার মেশান।
        ৩। একটি প্যানে তেল গরম করতে দিন। তেলে বেগুনের টুকরোগুলো দিয়ে দিন। বাদামী রং হওয়ার পর্যন্ত ভাজুন।
        ৪। ভাজা হয়ে গেলে বেগুনগুলো প্যান থেকে নামিয়ে ফেলুন।
        ৫। একই তেলে কাঁচা মরিচ, আদা এবং রসুন দিয়ে নাড়ুন।
        ৬। এবার তেলে সরিয়া বাটা, গোলমরিচ, হলুদ গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, চিনি, ভিনেগার এবং ভাজা বেগুন দিয়ে দিন।
        ৭। এরসাথে লবণ দিয়ে অল্প আঁচে ৫ মিনিট রান্না করুন।
        ৮। পাঁচ মিনিট পর নামিয়ে ফেলুন। ব্যস তৈরি হয়ে গেল মজাদার বেগুনের আচার।

        ভিডিও দেখুনঃ

        Source: Priyo.com
         

        গাজর একটি স্বাস্থ্যকর সবজি। গাজর ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং  বিটা ক্যারোটিন এ ভরপুর থাকে। পুষ্টিতে সমৃদ্ধ গাজরের স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রচুর।  গাজর কাঁচা, সিদ্ধ বা রান্না করেও খাওয়া যায়। গাজরের কয়েকটি স্বাস্থ্যকর খাবার প্রস্তুত প্রণালী জেনে নিই চলুন।

        ১। ক্যারট রাইস
        চুলায় মাঝারি আঁচে একটি পাত্র বসান। পাত্রে সামান্য তেল দিন। এবার এতে বুটের ডাল, মটরের ডাল, সরিষা বীজ এবং জিরা দিন। এর মধ্যে কারী পাতা ও এক কাপ গাজর কুচি যোগ করুন। অল্প আঁচে ৫ মিনিট রান্না করুন। লবণ ও হলুদ যোগ করুন। এবার এর মাঝে ভাত যোগ করুন। ৩ মিনিট রান্না করুন। সবশেষে ধনে পাতা যোগ করুন এবং গরম গরম পরিবেশন করুন ক্যারট রাইস। 

        ২। গাজরের স্যুপ
        টুকরো করা গাজর ও ভেজিটেবল স্টক ব্লেন্ডারে নিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। একটি পাত্রে তেল গরম করে নিন। গরম তেলে পেঁয়াজ কুঁচি, আদা কুঁচি, সেলেরি ডাঁটা কুঁচি ও অরিগেনো যোগ করুন। গাজর ও ভেজিটেবল স্টক এর মিশ্রণটিতে লবণ ও মরিচ যোগ করুন। এবার ১০ মিনিট রান্না করুন। তারপর রান্না করা সবজিগুলো ব্লেন্ডারে দিন এবং এর সাথে সিদ্ধ আলু যোগ করে মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। এবার ধনেপাতা যোগ করে গরম গরম পরিবেশন করুন।

        ৩। ক্যারট অ্যাপল স্যান্ডউইচ
        ১ টি আপেল ও আধা কাপ গাজর কুঁচি করে নিন। একটি পাতলা সুতি কাপড়ের মধ্যে ৫-৬ টেবিল চামচ দই নিয়ে কাপড়টি পুঁটলির মত করে একঘন্টা ঝুলিয়ে রেখে দিন যাতে দই থেকে পানি আলাদা হয়ে যায়। আপেল ও গাজর কুঁচির সাথে লবণ, মরিচ, দই ও অরিগেনো দিয়ে ভালো করে মিশান। এবার পাউরুটির টুকরায় মাখন লাগান এবং সবজি ও ফলের মিশ্রণটি দিয়ে উপরে আরেকটি পাউরুটির টুকরা যোগ করুন। ব্যাস তৈরি হয়ে গেল ক্যারট অ্যাপল স্যান্ডউইচ।

        ৪। ওটস ও গাজরের ক্ষীর
        ৪ টেবিল চামচ ওটস ও ৭-৮ টি কিশমিশ আধা কাপ দুধে ভিজিয়ে রাখুন। ১ কাপ দুধ ও একটি গাজরের অর্ধেক অংশ একসাথে মিশিয়ে ৫ মিনিট সিদ্ধ করুন। এখন এর মধ্যে ভেজানো ওটস ও কিশমিশ দিয়ে ৫ মিনিট রান্না করুন। এক চিমটি এলাচ গুঁড়া ও ৩-৪ টি কাঠ বাদাম যোগ করে গরম গরম পরিবেশন করুন।

        ৫। গাজরের কেক
        প্রথমেই ওভেনকে ২০০ ডিগ্রী তাপে প্রিহিট করে নিন। বেকিং ডিশে অল্প বাটার লাগিয়ে নিন। ৩০ গ্রাম গাজর কুঁচি, ১৫ গ্রাম ময়দা, ১ চা চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ পরিমাণ বেকিং পাউডার, ১ চা চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ পরিমাণ বেকিং  সোডা, ১ চা চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে নিন। ২ টা ডিমের সাদা অংশ ফেটিয়ে নিন। ১ টেবিল চামচ দুধ ও ভেনিলা এক্সট্রাক্ট নিন। ভেজা ও  শুকনো সবগুলো উপাদান একসাথে মিশিয়ে বাটার লাগিয়ে রাখা বেকিং ডিশে ঢালুন।  প্রিহিট করে রাখা ওভেনে দিয়ে ১৫ মিনিট বেক করুন। ওভেন থেকে বের করে ৫  মিনিট পরে পরিবেশন করুন গাজরের কেক।   


        গরুর মাংস সকলেরই প্রিয় খাবার। যাদের গরুর মাংসে খাওয়ায় সমস্যা রয়েছে তারাও গরুর মাংস দেখলে খাওয়ার লোভ সামলাতে পারেন না। আজকের আয়োজনে গরুর মাংসপ্রিয়দের জন্য রইল ভিন্ন একটি রেসিপি। খুব সহজে ও কম সময়েই তৈরি করতে পারবেন এই খাবারটি।



        উপকরনঃ
        • ১ কেজি গরুর মাংস,
        • ৪/৫ টি বড় পেঁয়াজ (মোটা করে কাটা),
        • আদাবাটা ২ টেবিল চামচ,
        • রসুন বাটা ৪ চা চামচ,
        • হলুদ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ,
        • মরিচ গুঁড়ো ৪ চা চামচ,
        • ২ কাপ দুধ, লবণ স্বাদ মতো,
        • ৫/৬ টি শুকনো মরিচ,
        • কাঁচামরিচ আস্ত ৮-১০টি,
        • ৪/৫ টি এলাচ, ২টি তেজপাতা,
        • ২ খণ্ড দারুচিনি,
        • ৫/৬ টি লবঙ্গ ও সরিষার তেল পরিমাণমতো।

        প্রণালীঃ
        • মাংস কেটে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। একটি পাত্রে দুধ, ২ চা চামচ মরিচ গুঁড়ো, ২ চা চামচ রসুন বাটা, ১ চা চামচ আদা বাটা ও ৩ টেবিল চামচ সরিষার তেল দিয়ে মাংস ৩০ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন। 
        • প্রথমে একটি প্যানে সরিষার তেল গরম করে এতে শুকনো মরিচ দিয়ে ভেজে নিন। এরপর এতে পেঁয়াজ, তেজপাতা এবং গরম মসলা দিয়ে অল্পক্ষণ ভেজে নিয়ে আদা ও রসুনবাটা, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া এবং লবণ দিয়ে মসলা কষে নিন।
        • মসলা ভালো করে কষিয়ে গরুর মাংস দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে দিন এবং কষাতে থাকুন। মাংস কষিয়ে এতে অল্প পানি দিন। যখন বুঝবেন মাংস মাখামাখা হয়ে আসছে তখন কাঁচামরিচ দিয়ে মাংস চুলার উপরে রেখে দিন আরো ১০ মিনিট। ১০ মিনিট পর চুলা থেকে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।


        আজকের রেসিপি আয়োজনে রয়েছে দারুণ মজাদার চাইনিজ হাক্কা নুডুলস। চলুন শিখে নিই, কীভাবে তৈরি করতে হয় চাইনিজ হাক্কা নুডুলস।



        উপকরনঃ
        • মোটা নুডলস- ১ প্যাকেট ( বাজারে হাক্কা নুডুলস কিনতে পাওয়া যায় )
        • মাশরুম – ইচ্ছা মত
        • চিকেন সেদ্ধ- ইচ্ছা মত
        • পেঁয়াজ কুচি-১টি মাঝারি মাপের
        • রসুন কুচি ২ কওয়া
        • বাঁধাকপি কুচি ১ কাপ
        • ক্যাপসিকাম কুচি ২ টি ( লাল , সবুজ)
        • গাজর কুচি ১ কাপ
        • তেল- ৩ টেবিল চামচ
        • গোলমরিচের গুঁড়ো হাফ চা চামচ
        • সয়া সস- ১ টেবিল চামচ
        • ভিনিগার-১ চা চামচ
        • ফিশ সস- ১ চা চামচ (ইচ্ছা / না দিলেও হবে )
        • ওয়েস্টার সস- ১ চা চামচ
        • বিন স্প্রাউট-আধা কাপ
        • লবন স্বাদমতো
        • মাশরুম বা চিকেন সেদ্ধ- ইচ্ছা মত

        প্রণালীঃ
        • সব সসগুলো একসাথে মিশিয়ে নিন।
        • নুডলসগুলো সামান্য লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে নিন।
        • এবার কড়াইতে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে তাতে পেঁয়াজ ও গাজর দিয়ে ভাজতে থাকুন।
        • এরপর বাঁধা কপি ,মাশরুম ও চিকেন দিয়ে আরও খানিকক্ষণ ভাজুন।
        • এবার সেদ্ধ করে রাখা নুডলসগুলো দিয়ে দিন।
        • আরও এক চামচ তেল দিন সঙ্গে লবন, গোলমরিচ গুঁড়ো, সস দিয়ে নাড়তে থাকুন।
        • এবার ক্যাপসিকাম,স্প্রাউট ও ভিনিগার দিয়ে আরও খানিকক্ষণ ভেজে নিন।
        • হয়ে গেল হাক্কা নুডলস


        রেস্তরাঁয় গেলে কাঠের ট্রেতে ধোঁয়া ওঠা সিজলিং বিফ না খেলে যেন মনটাই ভরে না। আর এর জন্য পকেট থেকে টাকাও চলে যায় অনেকগুলো। কোরবানির ঈদের পর নিশ্চয়ই ফ্রিজ ভরা গরুর মাংস আছে? এত মাংস দিয়ে শুধু মাত্র এক দুই পদের রান্না না করে একটু ভিন্ন কিছু রাঁধতে চাইলে বানিয়ে ফেলতে পারেন সিজলিং বিফ। ভাবছেন ঘরে আবার সিজলিং বিফ বানানো সম্ভব নাকি! খুব সহজেই ঘরেই বানানো সম্ভব চাইনিজ রেস্তোরাঁর মত মজাদার সিজলিং বিফ। আসুন দেখে নেয়া যাক পদ্ধতিটি।

        পুষ্টিগুণঃ
        প্রতি ৩৫ গ্রাম সিজলিং বিফে আছে ১৭৭ ক্যালোরি, ১০.৫ গ্রাম ফ্যাট, ১৭।৯ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ও ২.১ গ্রাম প্রোটিন।


        উপকরনঃ
        • আধা কেজি গরুর মাংস (হাড় ছাড়া)
        • এক কোয়া (মাঝারী আকৃতির) রসুন কুচি
        • ২টি পেয়াজ (বড়) মাঝে কেটে ভাঁজে ভাঁজে ছাড়ানো
        • ১টা ক্যাপসিকাম (লম্বা লম্বা করে কাটা)
        • ১/২ কাপ টমেটো সস
        • ২ টেবিল চামচ সয়া সস
        • ১ চা চামচ চিলি সস
        • ১ টেবিল চামচ ফিশ সস
        • ১/২ চা চামচ স্বাদ লবণ
        • ১ টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার
        • ১ চা চামচ মরিচ টালা গুঁড়া
        • ২টি শুকনা মরিচ (মাঝে দিয়ে চেড়া )
        • পরিমান মত সরিষার তেল
        • পরিমান মত লবন/ পানি
        • সিজলিং ট্রে (থাকলে ভালো)

        প্রণালীঃ
        • মাংস পাতলা লম্বা করে টুকরা করুন।
        • মাংসে সয়াসস, ফিশ সস, চিলি সস, টমেটো সস, কর্ন ফ্লাওয়ার দিয়ে মাখিয়ে ১ ঘণ্টা রাখুন।
        • কড়াইতে মাংস ও অল্প পানি দিয়ে সেদ্ধ করে পানি গায়ে গায়ে লাগিয়ে ফেলুন।
        • আরেকটি পাত্রে সরিষার তেল গরম করে নিন ভালো করে,
        • তেলে শুকনো মরিচ চেড়া, রসুন ও পেঁয়াজ দিয়ে ভাজুন।
        • পেঁয়াজ সামান্য নরম হলে ক্যাপসিকাম স্বাদ লবণ, শুকনো মরিচের গুঁড়া, লবণ ও মাংস দিয়ে নাড়ুন।
        • এবার চুলায় সিজিলিং ট্রে দিয়ে খুব ভালো করে গরম করে নিন।
        • গরম ট্রেতে মাখন দিয়ে মাংস ঢেলে হালকা পোড়া পোড়া করে মাংস ভেজে নিন।
        • সিজলিং ট্রে না থাকলে ফ্রাই প্যানেই মাংস হালকা পোড়া পোড়া করে ভেজে নিন। ধোঁয়া ওঠা শুরু করলে এবং ঘ্রাণ বের হলে নামিয়ে ফেলুন।
        • ফ্রাইড রাইস অথবা পোলাওয়ের সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার সিজলিং বিফ।



        ডাল দিয়ে মাংস রান্না বেশ জনপ্রিয় এবং প্রচলিত  একটি খাবার। যারা মাংস খেতে পছন্দ করেন, এবং যারা মাংস খেতে পছন্দ করেন না উভয়ই এই খাবারটি পছন্দ করেন। হায়দ্রাবাদী এই খাবারটি ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে রান্না করা যায়। আজ আপনাদের পারফেক্ট রেস্টুরেন্টের মত ডাল মাংস রান্নার রেসিপিটি জানিয়ে দেব।


        উপকরনঃ
        • ১ কাপ বুটের ডাল
        • খাসির মাংস
        • ১টি বড় পেঁয়াজ কুচি
        • ১ ইঞ্চি আদা কুচি
        • ১/৪ কাপ পুদিনা পাতা কুচি
        • ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
        • ২ চা চামচ মরিচ গুঁড়ো
        • ১ টেবিল চামচ ধনিয়া গুঁড়ো
        • ১ টেবিল চামচ গরম মশলা
        • লবণ
        • ১/৪ কাপ টমেটো কুচি
        • ১টি লেবুর রস
        • ১ লিটার পানি
        • পেঁয়াজ বেরেস্তা (সাজানোর জন্য)
        প্রণালীঃ
        • প্রথমে বুটের ডাল ভাল করে ধুয়ে পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন।
        • এরপর প্রেশার কুকারে বুটের ডাল, মাংস,হলুদের গুঁড়ো, লবণ, আদা কুচি এবং পানি দিয়ে ঢেকে দিন। ৪ থেকে ৫ হুইসেল দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
        • একটি প্যানে তেল গরম করে, এতে পেঁয়াজ কুচি, এক চিমটি লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ ভেঁজে নিন (সাজানোর জন্য বেরেস্তা করা)
        • এবার প্যানে টমেটো কুচি, ধনিয়া গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো এবং গরম মশলা দিয়ে ভাঁজুন।
        ভিডিওঃ


        Source: Priyo.com


        বিকেলের নাস্তায় পুরি, আলুর চপ, বেগুনি খেতে খেতে একঘেয়ামি চলে আসছে? নতুন কিছু তৈরি করতে চান? অনেকেই কচুরি তৈরি করে থাকেন। এইবার একটু ভিন্নধরণের খাস্তা কচুরি তৈরি করে নিন।


        পুরের জন্য উপকরনঃ
        • ১/২ কাপ মুগ ডাল
        • ২ চা চামচ মরিচের গুঁড়ো
        • ১ চা চামচ ধনিয়া গুঁড়ো
        • ১/২ চা চামচ জিরা গুঁড়ো
        • ২ চা চামচ আমচূর গুঁড়ো
        • ১ চা চামচ গরম মশলা
        • ১ চা চামচ মৌরি গুঁড়ো
        • লবণ
        • ১/২ চা চামচ চিনি
        • ১.৫ টেবিল চা চামচ তেল 
        ডোয়ের জন্য উপকরনঃ
        • ১ কাপ ময়দা
        • ১ কাপ আটা
        • ১/২ চা চামচ বেকিং সোডা
        • ৩ টেবিল চামচ ঘি
        • লবণ
        • ২/৩ কাপ পানি
        • তেল
        প্রণালীঃ
        • মাঝারি আঁচে মুগ ডাল ভেজে নিন। বাদামী রং হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন।
        • এবার ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে গুঁড়ো করে নিন।
        • মুগ ডালের গুঁড়ো, ধনিয়া গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, আমচূর পাউডার, গরম মশলা, মৌরি গুঁড়ো, লবণ এবং চিনি ভাল করে মেশান। এর সাথে কিছুটা পানি ভাল করে মেশান।
        • এবার আরেকটি পাত্রে ময়দা, আটার সাথে ঘি দিয়ে ভাল করে মেশান। ব্রেড ক্রাবসের মত গুঁড়ো না হওয়া পর্যন্ত মেশাতে থাকুন।
        • এরপর এতে লবণ, বেকিং সোডা এবং পানি দিয়ে ভাল করে ডো তৈরি করুন।
        ভিডিওঃ


        Source: Priyo.com


        ঝটপট তৈরি করা যায় এমন একটি খাবার হলো ফ্রাইড রাইস। যে কোনো সময়ে, যে কোনো মাপের ক্ষুধা কমাতে পারে সুস্বাদু এই খাবার। কিন্তু সাধারণ ফ্রাইড রাইস তৈরি করতেও লাগে ডিম, কেউ কেউ ব্যবহার করেন চিংড়ি বা মাংস। আজ জেনে নিন এমন একটি ঝটপট রেসিপি যাতে দরকার হবে শুধু টমেটো আর অলিভ। চলুন দেখে নিই একদম ভেজিটেরিয়ান রেসিপিটি।


        উপকরনঃ
        • দেড় কাপ ফ্রেশ টমেটো পিউরি
        • ৬/৭টা ব্ল্যাক অলিভ
        • দেড় কাপ সেদ্ধ করা বাসমতী চালের ভাত
        • ২ চা চামচ অলিভ অয়েল
        • ১ টেবিল চামচ টমেটো কেচাপ
        • লবণ স্বাদমতো
        • ১ চা চামচ শুকনো মরিচ গুঁড়ো
        • ১ চা চামচ শুকনো অরিগানো
        • অর্ধেকটা সবুজ ক্যাপসিকাম, চৌকো করে কাটা
        • ৪/৫টা বেসিল পাতা
        • ৮টা লেটুস পাতা
        প্রণালীঃ
          • একটি বড় নন-স্টিক প্যানে অলিভ অয়েল গরম করে নিন। এতে টমেটো পিউরি দিয়ে মিশিয়ে নিন। রান্না হতে দিন ৩-৪ মিনিট।
          • এতে টমেটো কেচাপ দিন। লবণ, শুকনো মরিচ এবং শুকনো অরিগানো দিন। মিশিয়ে রান্না হতে দিন ১ মিনিট। ক্যাপসিকাম এবং ভাত দিয়ে দিন। মিশিয়ে রান্না হতে দিন আরও কিছুক্ষণ।
          • ব্ল্যাক অলিভ স্লাইস করে নিন। বেসিল এবং অলিভ স্লাইস দিয়ে দিন রাইসে। ভালো করে মিশিয়ে আঁচ বন্ধ করে দিন।
          • গরম একটু কমে এলে লেটুস পাতার ওপর সাজিয়ে দিন রাইস।
          ভিডিওঃ


          Source: Priyo.com

          গরুর মাংস দিয়ে তো তেহারি অনেক খেয়েছেন, এবার মুরগির মাংস দিয়ে ট্রাই করুন পুরান ঢাকার স্টাইলে। পুরান ঢাকার মতোই মুখরোচক ভাবে তৈরি করুন। তাহলে জেনে নিন বিডি রমণীর রেসিপিটি।

          মুরগী তৈরির জন্য উপকরনঃ
          • ১ কেজি মুরগি, বড় বড় করে কেটে নেওয়া।
          • ১০টি ছোট আলু।
          • ৩ টেবিল-চামচ আদা ও রসুন বাটা।
          • ২টি বড় পেঁয়াজ।
          • আধা চা-চামচ মরিচগুঁড়া।
          • আধা চা-চামচ ধনেগুঁড়া।
          • স্বাদ মতো লবণ।
          • আধা কাপ তেল।
          • ৩ টেবিল-চামচ সরিষার তেল।
          • আস্ত ৩টি এলাচ।
          • ২ টুকরা দারুচিনি।
          • ২টি তেজপাতা।
          • স্পেশাল গরম মসলা
          • ৪টি এলাচ।
          • আধা চা-চামচ জায়ফল এবং জয়ত্রী।
          • আধা চা-চামচ জিরা।
          • আধা চা-চামচ ধনিয়া।
          • ৭,৮টি গোলমরিচ।
          • ৩টি লবঙ্গ।
          • আধা চা-চামচ মৌরি।
          • আধা চা-চামচ শাহিজিরা।
          • একসঙ্গে গুঁড়া করে নিন।
          • এটাই স্পেশাল গরম মসলা।

          চাউল প্রস্তুত করার জন্য উপকরনঃ
          • ৪ কাপ পোলাওয়ের চাল (কালিজিরা)।
          • ৬ কাপ এবং আরও আধা কাপ গরম পানি।
          • ১টি বড় পেঁয়াজকুচি।
          • ১ টেবিল-চামচ আদাবাটা।
          • আধা কাপ তেল।
          • ৩ টেবিল-চামচ ঘি।
          • ৩টি এলাচ।
          • এক টুকরা দারুচিনি।
          • ২টি তেজপাতা।
          • স্বাদ মতো লবণ।
          • ২০,২৫টি আস্ত কাঁচামরিচ।
          প্রণালীঃ
          • প্রথমেই মুরগি রান্না করে নিতে হবে।
          • পেঁয়াজ, রসুন, আদা একসঙ্গে বেটে নিন। আলু বাদে মুরগির জন্য রাখা বাকি সব উপকরণ দিয়ে মুরগি মাখিয়ে নিন। এবার ভালো মতো কষিয়ে মুরগি রান্না করুন। পানি দেবেন না।
          • মাংস সিদ্ধ হয়ে আসলে আলু দিন। সামান্য পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করুন। আলু আধা সিদ্ধ হলে অল্প ঝোল রেখে চুলা বন্ধ করে দিন।
          • এবার আলাদা বড় হাঁড়িতে তেল ও ঘি দিয়ে পেঁয়াজ ভাজতে থাকুন। আস্ত গরম মসলাগুলো দিয়ে দিন। পেঁয়াজ হালকা বাদামি হয়ে আসলে আদাবাটা দিন।
          • একটু ভেজে চাল দিয়ে কষাতে থাকুন। চাল ঝরঝরে হয়ে আসলে, ঝোলসহ মুরগি দিয়ে চালের সঙ্গে মিশিয়ে গরম পানি দিয়ে চুলার আঁচ একদম কমিয়ে ঢেকে দিন।
          • চাল ফুটে উঠলে আস্ত কাঁচামরিচ মিশিয়ে হাঁড়ির মুখ শক্ত ভাবে ঢেকে অনেকক্ষণ খুব অল্প আঁচে দমে রাখুন। চাল একদম ফুটে গেলে চুলা বন্ধ করে দিন।
          • নামিয়ে গরম তেহারি, সালাদের সঙ্গে পরিবেশন করুন।


          সাধারণত ইফতারে মাংসের তৈরি খাবার একটু কমই রাখা হয়, কারণ হচ্ছে মাংসের তৈরি যে কোনো খাবার বানানো অনেক বেশি ঝামেলার। আজকে আপনাদের জন্য এমন একটি রেসিপি নিয়ে হাজির হলাম যা মাংসের তৈরি, কিন্তু এটি তৈরিতে একেবারেই কম সময় লাগবে। খুউব ঝটপট ইফতারের প্লেটে হাজির করতে পারবেন অত্যন্ত সুস্বাদু মুরগীর মাংসের বড়া। চলুন তাহলে শিখে নেয়া যাক খুব সহজ রেসিপিটি।

          উপকরনঃ
          • ১ কাপ হাড় ছাড়া মুরগীর মাংস
          • ৪ পিস পাউরুটি
          • ১ টি ডিম
          • ২ টি পেঁয়াজ মিহি কুচি
          • কাঁচা মরিচ কুচি ঝাল বুঝে
          • ১ চা চামচ কাবাব মসলা
          • সামান্য টেস্টিং সল্ট
          • লবণ স্বাদমতো
          • বিস্কিটের গুঁড়ো প্রয়োজন মতো
          • তেল ভাজার জন্য।

          প্রণালীঃ
          • প্রথমে মাংস পানিতে নরম করে সেদ্ধ করে নিন। এরপর মাংস একটু পিষে নিলেই আঁশ আঁশ আলাদা হয়ে যাবে। এভাবে মাংস প্রস্তুত করে ফেলুন।
          • এরপর মাংসে পেঁয়াজ, মরিচ, আদা-রসুন বাটা, কাবাব মসলা, টেস্টিং সল্ট লবণ এবং পানিতে ডুবিয়ে পাউরুটি নরম করে মাংসে দিয়ে ভালো করে মাখাতে থাকুন।
          • একটি ডিম ভেঙে মিশ্রনে দিয়ে দিন এবং ভালো করে মাখিয়ে নিন। ডিম দেয়ার পর যদি মিশ্রন অনেক নরম হয়ে যায় তাহলে আরও পাউরুটির পিস দিতে পারেন।
          • মাখানো প্রয়োজন মতো হলে অল্প করে মিশ্রন নিয়ে হাতের তালুতে দিয়ে নিয়ের পছন্দমতো আকৃতি দিন এবং বিস্কিটের গুঁড়োয় গড়িয়ে নিয়ে অল্প তেলে দুপাশ লালচে করে ভেজে নিন।
          • একটি কিচেন টিস্যুতে রেখে বাড়তি তেল ঝেড়ে নিয়ে ইফতারের টেবিলে পরিবেশন করুন সুস্বাদু মুরগীর মাংসের বড়া


          ঘরোয়া কিছু প্যাক ব্যবহার করে খুব সহজেই চেহারার ক্লান্তি ভাব দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করা যায়। কীভাবে? আসুন জেনে নিই ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে এমন দুটি ফেস প্যাক। বেড়াতে যাওয়ার আগে লাগিয়ে নিতে পারেন এর যেকোন একটি। আর এক নিমিষে পেয়ে যান উজ্জ্বল প্রাণবন্ত ফর্সা ত্বক।

          কলা পেঁপের ফেস প্যাক:
          • ১ টুকরো পেঁপে
          • ১ টুকরো কলা
          • ১/৪ চাচামচ লেবুর রস
          প্রণালীঃ
          • পেঁপে, কলা ভাল করে মিশিয়ে পেষ্ট করে নিন। এবার এতে লেবুর রস দিয়ে আবার ভাল করে মেশান। প্যাকটি ত্বকে ভাল করে লাগিয়ে শুকানোর জন্য অপেক্ষা করুন। ১৫ মিনিট পর প্যাক শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ভাল করে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
          যেভাবে কাজ করেঃ

          • পেঁপেতে এক প্রকার এনজাইম আছে যা ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করে, দাগ দূর করে থাকে। ফ্রুট ফেস প্যাক সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযোগী হয়ে থাকে। তৈলাক্ত ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুয়ে নিতে ত্বককে মসৃন করতেও এই প্যাকের জুড়ি নেই।



          কলা পেঁপের ফেস প্যাক:
          • বেসন
          • হলুদ
          • মধু
          • লেবুর রস
          প্রণালীঃ
          • ২ চা চামচ বেসন, ১ চা চামচ মধু, ১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়া, এবং ১/২ চা চামচ লেবুর রস দিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। 
          • খুব ভাল করে মিশিয়ে নিতে হবে যাতে বেসনের কোন দানা না থাকে। 
          • এবার মুখ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। 
          • মুখ শুকানোর পর প্যাকটি লাগিয়ে ফেলুন। 
          • ২০ মিনিট পর প্যাক শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। 
          • সাথে সাথে আপনি পেয়ে যাবেন উজ্জ্বল ত্বক।
          যেভাবে কাজ করেঃ
          • বেসনে আছে প্রোটিন। আর হলুদ এবং লেবুর রসে আছে স্কিন ব্লিচ করার উপাদান। যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে থাকে। মধু ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে ভিতর থেকে ত্বকে গ্লো নিয়ে আসে। এই প্যাকটিও সব ধরনের ত্বকে কার্যকরী। তবে সংবেদনশীল ত্বকের অধিকারীরা লেবুর রসের পরিমাণ কম দেবেন।


          জিভে জল আনা অত্যন্ত লোভনীয় চেহারার তেহারিটা দেখেই কি পারফেক্ট মনে হচ্ছে না? একেকজন একেকভাবে তেহারি রান্না করেন। তবে হ্যাঁ, অনেকেরই তেহারিতে পারফেক্ট স্বাদটা আসে না। অনেকে আবার অনুসরণ করেন খুবই জটিল রেসিপি। চলুন, আজ জেনে নি আপনার মনের মত পারফেক্ট স্বাদের তেহারি রান্না করার একটি দারুণ সহজ রেসিপি। একদম নতুন রাঁধুনিদেরও এই রেসিপি দেখে রাঁধলে খাবারটি হবে দারুণ সুস্বাদু।

          উপকরনঃ
          • গরুর মাংস ১ কেজি,
          • দই (টক+মিস্টি বা যে কোনো টা) ৫ টে চামচ,
          • পেঁয়াজ কুচি দেড় কাপ,
          • আদা বাটা ৩ টেবিল চামচ,
          • রসুন বাটা ৩ টেবিল চামচ,
          • পেঁয়াজ বাটা ১ কাপ,
          • কাঁচা মরিচ বাটা ১ টে চামচ,
          • সরিষা বাটা ১ টে চামচ,
          • কাঁচা পেঁপে বাটা ১ টে চামচ,
          • মরিচ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ,
          • ধনে গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ,
          • জিরা গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ,
          • কালো গোলমরিচ গুঁড়ো আধা চা চামচ,
          • তেজপাতা ২টি,
          • দারচিনি ২ সেমি ৫ টুকরো,
          • এলাচ ৫টি,
          • লবঙ্গ ৪টি,
          • কাঁচামরিচ ১৫ টি মাঝে চিরে নেয়া,
          • সরিষার তেল ১ কাপ,
          • সয়াবিন তেল হাফ কাপ,
          • পোলাওয়ের চাল ১ কেজি,
          • আলু চৌকো করে কাটা ও ভেজে নেয়া (২ কাপ),
          • লবণ ১ চা চামচ মাংসের জন্য + ১ চা চামচ পোলাও এর জন্য
          • গরম পানি ১০ কাপ

          প্রণালীঃ
          • মাংস ছোট টুকরো করে ধুয়ে নিন। ২ টে চামচ করে আদা-রসুন বাটা সহ সমস্ত বাটা ও গুঁড়ো মসলা অর্ধেকটা সরিষার তেল, পুরোটা সয়াবিন তেল এবং দই, লবণ দিয়ে মাংস মাখিয়ে রাখুন। খুব ভালো হয় মাখিয়ে সারা রাত ফ্রিজে রেখে দিতে পারলে।
          • একটা বড় হাঁড়িতে তেল গরম করে অর্ধেকটা করে পেঁয়াজ তেজপাতা ও গরম মসলা সামান্য ভেজে মাংস, লবণ দিন। মাংস কষিয়ে ভুনা করুন।
          • মাংস কষানো হলে অর্ধেকটা গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন যেন মাংস সিদ্ধ হওয়ার পরও বেশ খানিকটা ঝোল থাকে। ঝোল টেনে এলে বাকি অধের্কটা পানি দিন। এ সময় অল্প তেলে আলু ভেজে সেটাও রেডি রাখুন।
          • মাংস সিদ্ধ হয়ে এলে আলু ও ঝোলে দিয়ে দিন এবং মোটামুটি সিদ্ধ করে নিন।
          • এবার পোলাও এর জন্য প্যানে বাকি সরিষার তেল এ পেঁয়াজ কুচি ও বাকি আদা রসুন বাটা ও গরম মসলা দিয়ে কষিয়ে নিন।চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে মসলায় দিন। ২-৩ মিনিট ভাজুন।
          • গন্ধ ছড়ালে রান্না করা মাংস ঝোল সহ চালের ওপর ঢেলে মিশিয়ে দিন। ঝোলের পানিতেই পোলাও রান্না হয়ে যাবে। লবণ দিন। চাল ফুটে গেলে নিচে তাওয়া দিয়ে দমে দিয়ে দিন এবং ওপরে কাঁচামরিচ দিয়ে ঢেকে মৃদু আঁচে ২০ মিনিট রাখুন। চুলা থেকে নামিয়ে রাখুন। ২০-২৫ মিনিট পর ঢাকনা খুলবেন।
          • সালাদ দিয়ে পরিবেশন করুন।


          ইফতারে চাই ভিন্ন কোন খাবারের আইটেম? তাহলে দেখেনিন আজ আমাদের রেসিপি ইফতারে ঝটপট আলু মেয়নেজ টিক্কি। সহজে ও কম সময়েই তৈরি কওরা যায় আর খেতেও অসাধারণ। রইলো রেসিপি।

          উপকরনঃ
          • আলু সেদ্ধ করে ম্যাশ করা – ২ টা
          • মেয়নেজ – ৩ চা চামচ
          • পেঁয়াজ মিহি কুচি – বড় ৩ টা
          • কাঁচামরিচ কুচি – ১ টেবল চামচ
          • আদাকুচি – ১ টেবল চামচ
          • লাল মরিচ গুঁড়ো – ১ চা চামচ
          • লবণ – স্বাদমতো
          • ভাজা ও গুঁড়ো করা সল্টেড পিনাট – ৩ টেবল চামচ
          • কর্নফ্লাওয়ার -২ টেবল চামচ + ছড়ানোর জন্য
          • তেল – ২ টেবল চামচ
          • সাজানোর জন্য : চাট মশলা

          প্রণালীঃ
          • একটি পাত্রে আলু, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, আদা, লাল মরিচের গুঁড়া, লবণ, মেয়নেজ, বাদাম গুঁড়া এবং দুই টেবল চামচ কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে সব একসাথে মেশান।
          • একটি ননস্টিক প্যানে তেল গরম করুন। হাতে একটু কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে নিন।
          • এবার আলুর মিশ্রণ থেকে ডো নিয়ে একই আকৃতির বল বানান। বলগুলো প্যানে রেখে চামচ দিয়ে একটু চেপে দিন।
          • অল্প আঁচে দুই পাশ সোনালী করে ভাজুন। টিক্কিগুলো একটি সার্ভিং প্লেটে রেখে উপর থেকে চাট মশলা ছিটিয়ে দিন। গরম গরম আলু মেয়নেজ টিক্কি পরিবেশন করুন।


          ইফতারের প্লেটে খুব সাধারণ খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম এই আলুর চপ। প্রায় প্রতিটি  ঘরেই রোজার প্রায় প্রতিদিনই আলুর চপ তৈরি করা হয়। আজকে শিখে নিন নিত্য দিনের এই আলুর চপের একটু অন্যরকম একটি স্বাদ। খুব স্বল্প সময়ে প্রতিদিনের আলুর চপে নিয়ে আসুন দারুণ একটি টুইস্ট। শিখে নিন পুর ভরা আলুর চপের দারুণ রেসিপিটি।

          পুরের জন্য উপকরনঃ
          • আধা কাপ মাংস কিমা (খাসি/গরু/মুরগি) কিমা না থাকলে মাংস ছোটো খণ্ড করে নিয়েও কাজ চালাতে পারেন 
          • ৩ টি পেঁয়াজ কুচি
          • ৪/৫ টি কাঁচা মরিচ কুচি
          • আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
          • আধা চা চামচ জিরা গুঁড়ো
          • আধা চা চামচ গরম মসলা গুঁড়ো
          • আধা চা চামচ কাবাব মসলা
          • ১ চা চামচ সয়াসস
          • ১ চা চামচ আদা-রসুন বাটা
          • ২ চা চামচ ধনে পাতা কুচি
          • ২ টেবিল চামচ তেল
          • লবন স্বাদমতো
          আলুর চপের জন্য উপকরনঃ
          • ২ কাপ সেদ্ধ আলু
          • ২ টি পেঁয়াজ কুচি বা বাটা
          • ৩-৪ টি মরিচ বাটা বা কুচি
          • সামান্য সরিষার তেল
          • লবন স্বাদ বুঝে
          • খুব সামান্য ময়দা (প্রয়োজন হলে)
          • ১ টি ডিম ফেটানো
          • ব্রেডক্রাম্ব
          • তেল ভাজার জন্য
          প্রণালীঃ
          • প্রথমে প্যানে তেল দিয়ে গরম করে এতে পেয়াঁজ কুচি দিয়ে নরম না হওয়া পর্যন্ত নেড়ে নিন। এরপর এতে দিন আদা-রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, লবন, কাঁচা মরিচ কুচি। কিছুক্ষণ নেড়ে মসলা কষে এলে মাংস দিয়ে নেড়ে মিশিয়ে নিন।
          • এরপর সামান্য পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। মাংস সেদ্ধ হয়ে এলে ঢাকনা খুলে দিয়ে কিমার ভাজা ভাজা করে নিন। এভাবে ঝরঝরে মাংসের পুর তৈরি করে নিন।
          • সেদ্ধ আলু হাতে চটকে এতে পেঁয়াজ, মরিচ,  লবন , ধনে পাতা কুচিও সরিষার তেল দিয়ে মেখে ভর্তার মতো তৈরি করে নিন। যদি ভর্তা একটু বেশি নরম হয় তাহলে ময়দা দিয়ে ভালো করে মেখে নিন।
          • আলু ছোটো ছোটো অংশে ভাগ করে নিয়ে হাতের তালুতে রেখে বাটির মতো তৈরি করে ভেতরে পুর দিয়ে ঢেকে দিন। এরপর একটু চাপ দিয়ে চপের আকার দিন। এভাবে সব চপ তৈরি করে ফেলুন।
          • একটি প্যানে ডুবো তেলে ভাজার জন্য তেল গরম করে নিন। ডিম সামান্য  লবন দিয়ে ফেটিয়ে নিন। এরপর একটি করে চপ ডিমে চুবিয়ে ব্রেডক্রাম্বে গড়িয়ে নিন। এরপর ডুবো তেলে ছেড়ে লালচে করে ভেজে নিন। চাইলে অল্প তেলে হালকা করেও ভেজে নিতে পারেন।
          • চপ ভেজে একটি কিচেন টিস্যুতে রেখে বাড়তি তেল ঝড়িয়ে নিন। ব্যস, ইফতারে পরিবেশন করুন মজাদার পুর ভরা আলুর চপ।